1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ভ্রাম্যমাণ আদালতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে লেঙ্গুরার সেই ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত - আজকের কাগজ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সংরক্ষিত নারী এমপিদের বেতন কত, কী কী সুবিধা পান? ৩৬ টাকায় ধান, ৪৯ টাকায় সিদ্ধ চাল কিনবে সরকার টঙ্গীবাড়ীতে সন্তানের কবর পাহারায় বাবা, প্রশাসনের সহযোগিতা চায় পরিবার মাদকাসক্ত প্রকৌশলীকে ডাবল প্রমোশন ও ‘প্রাইজ পোস্টিং’—জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে তোলপাড় চুক্তি না হলে সামরিক বাহিনী হামলার জন্য ‘পুরোপুরি’ প্রস্তুত : ট্রাম্প দরপত্র জমা নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত-এনসিপির মারামারি কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)’র অভিযানে ৭২ লক্ষ টাকা মুল্যের ভারতীয় শাড়ি আটক মানবিক বিবেচনায় যুব মহিলা লীগ নেত্রীর জামিন এসএসসির প্রথম দিনে বহিষ্কার ৬ শিক্ষার্থী, ১ পরিদর্শক ট্রাইব্যুনালে ঘুষকাণ্ডে প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে প্রমাণ মিলেছে

ভ্রাম্যমাণ আদালতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে লেঙ্গুরার সেই ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬ ৯:৫৭ পিএম
শেয়ার করুন

ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূঁইয়া। ওই সময় ম্যাজিস্ট্রেটকে তিনি বলেন, ‘আমার ইউনিয়ন এটা। আমি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। আপনি মোবাইল কোর্ট করলে আমাকে আগে বলতে হবে।’

ভিডিও ফুটেজ ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এরপরেই আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারি সচিব মো. মোতাছেম বিল্যাহ স্বাক্ষরিত এক পত্রে ওই ইউপি চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ দেন। তিনি ওই উপজেলার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদেও আছেন।স্থানীয় বাসিন্দা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার লেংগুরা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান। এ সময় সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূঁইয়ার ছোট ভাই পারভেজ ভূঁইয়া ও বকুল মিয়া নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আদালতের কার্যক্রম চলাকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সাইদুর রহমান ভূঁইয়া। তিনি উপস্থিত জনতার সামনেই ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান। জানতে চান, ‘কী করছেন এইটা? বলেন আমাকে?’ তখন ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘আমি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এখানে দাঁড়িয়ে আছি। মোবাইল কোর্ট আগে শেষ হোক।’জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, ‘স্বাক্ষর করার আগে আমাকে বলেন। আমার ইউনিয়ন এটা। আমি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। আপনি মোবাইল কোর্ট করবেন—আমাকে আগে বলতে হবে।’ ‘কে বলেছে এটা? কোন আইনে আছে?’ ম্যাজিস্ট্রেটের এমন প্রশ্নে সাইদুর বলেন, ‘চেয়ারম্যানের আইনে আছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি এই এলাকার চেয়ারম্যান। তাই জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে ঘটনাটি জানতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাকে কোনো কিছু বলতেই রাজি না। প্রশাসনের লোক হওয়ায় তারা চেয়ারম্যান তো দূরের কথা, একজন মানুষ হিসেবেও আমাকে মূল্যায়ন করতে চাননি।’ তিনি আরও বলেন, ‘যাদের আটক করা হয়েছিল, তাদের নামে আগে কোনো নোটিশও পাঠায়নি। সবকিছুর তো একটা নিয়মনীতি আছে। চেয়ারম্যান হিসেবে আমি কি ঘটনাটা জানতে পারি না?’

ইউএনও মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে এভাবে আদালতকে একজন ইউপি চেয়ারম্যান শাসাতে পারেন না। বিষয়টি আমি গতকাল রাতেই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক স্যারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।’

জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ব্যাপারে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করেছেন।’

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *