1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
সৃজনী বহুমুখী সমবায় সমিতির মনোনয়ন ফরম নিয়ে হট্টগোলের ভিডিও ধারণ কালে সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা - আজকের কাগজ
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক ১১ দফা দাবিতে রুয়েট সিএসই বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, ২য় দিনের মতো আন্দোলন চলমান হাকিমপুরে পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় মঞ্চে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন উদ্ভাবনী প্রকল্প বিভাজনের সুর: টুকরো টুকরো হওয়ার শঙ্কায় যুক্তরাজ্য! সৃজনী বহুমুখী সমবায় সমিতির মনোনয়ন ফরম নিয়ে হট্টগোলের ভিডিও ধারণ কালে সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই, সেপ্টেম্বরে ১২ দিনেই ৫২ মৃত্যু আসুন, এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি: প্রধানমন্ত্রী নবম পে-স্কেল নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত, আসছে বড় পরিবর্তন

সৃজনী বহুমুখী সমবায় সমিতির মনোনয়ন ফরম নিয়ে হট্টগোলের ভিডিও ধারণ কালে সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা

এস এম রাসেল
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭:১৬ পিএম
শেয়ার করুন

সৃজনী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের নির্বাচনী মনোনয়ন ফরম বিক্রয়কালে হট্টগোল লাগার সময় ভিডিও ধারণ করতে গেলে “আজকের কাগজের” বিশেষ প্রতিনিধির মোবাইল ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে তার কাজে বাঁধা দিয়ে তাকে মব সৃষ্টি করে দুর্ব্যবহার ও নাজেহাল চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে শাহ্আলী থানা বিএনপি’র সার্থলোভী কিছু পথভ্রষ্ট নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে। মব চেষ্টা কালিন হাইব্রিড নামধারী নব্য বিএনপি’র কর্মীরাও এর সাথে জড়িত ছিলেন। এসময় পূর্ব পরিচিত একাধিক স্থানীয় প্রবীণ বিএনপি’র নেতা কর্মীদের সাথে ওই সাংবাদিকের সুসম্পর্ক থাকায় তিনি নাজেহাল ও মব থেকে রক্ষা পান। তবে এর আগে ভিডিও ধারনের সময়ে তার কাছ থেকে জোর পূর্বক মোবাইল কেরে নেয় বমসৃষ্টি কারি’রা।

বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর শাহ্আলী থানাধীন ১/বি ২-২ সৃজনী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের ভবনের দোতালা অফিসের বারান্দার সামনে এ ঘটনাটি ঘটে। এ সময়ে সমিতি অফিসে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহে প্রার্থীদের সমর্থক হয়ে ওয়ার্ড ও থানা বিএনপির কয়েক ডজন নেতাকর্মী বাহিরে ও ভেতরে উপস্থিত ছিলেন। সমিতির ফরম বিক্রয়ের সময় ভিতরে উপস্থিত ছিলেন শাহ্আলী থানা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান খলিল আরো উপস্থিত ছিলেন যুগ্ন আহবায়ক সামছুল কবির, শাহ্আলী থানা বিএনপি’র সদস্য রুহুল আমিন, আসাদ আলী, ৯৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি সেলিম সমর্থক, ও জেলা সমবায়ের অফিসার সহ আরাও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। সমিতির বাহিরে রাস্তার ফটকের সামনে শাহ্আলী থানা ছাত্রদলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবুল কালাম আজাদ লেলিন সমর্থক ছাড়াও বিএনপি নেতা রুহুল আমিন রাজা, শাহ্আলী থানা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান বাবুলসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে , সমিতির ফরম বিক্রয়ের আগের দিনও কবির ও তার সমর্থকরা ফরমের বই ছিনিয়ে নিয়ে যায়! গতকাল বুধবারও যেনো ওই একই ঘটনা না ঘটে এ কারনে বিএনপির স্থানীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত হন সমিতির অফিসে সামনে। তখনও আওয়ামী লীগের নেতা সাবেক সমিতির সভাপতি আজিজ বাঙালি সমর্থক হয়ে অফিস কক্ষে উপস্থিত হন কবির ও সিলিমের সমর্থকরা। এসময়ে ফরম সংগ্রহ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এ চিত্র ধারণ করতে গেলেই কবির ও সেলিম সমর্থকের কয়েকজন মোবাইল কেরে নেয়। ঘটনার পর স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীরা সেলিম ও কবির সমর্থকদের কাছ থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যেই মোবাইল ক্যামেরাটি ফেরত নিয়ে দেন সংবাদ সংগ্রহ কারি সংবাদিককে।

এ বিষয়ে শাহ্আলী থানা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান খলিল “আজকের কাগজকে” বলেন, আমি ভেতরে ছিলাম বারান্দার সামনে এ ঘটনা খুবই দুঃখজনক এটা মেনে নেওয়ার নয়। সাংবাদিকের সাথে এমন আচরণ কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ঘটনার সাথে জাড়া জড়িত বা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত! বিএনপি সংগঠন সব সময়ে স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করে। শাহ্আলী থানা বিএনপির সদস্য রুহুল আমিন “আজকের কাগজকে” বলেন, কবির সমর্থকদের এরকম উশৃংখল আচরণ করা কোন ভাবেই ঠিক করেনি। বিএনপি এরকম উশৃংখল কর্মকান্ড বিরুদ্ধে ছিলো সব সময়ে। এরা সার্থের কারণে বিএনপি সরকারের সাথে সাংবাদিকদের সাংঘর্ষিক করে তুলছে যা কোনো ভাবেই কাম্যনয়। এ ছাড়াও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কবির ও সেলিম সমর্থকরা নানা অপকর্ম করে যাচ্ছে তাদের আশ্রয়ে পালিত উশৃংখল কিশোর গ্যাং বাহিনী।

এ ঘটনার বিষয়ে দুংখ প্রকাশ করে শাহ্আলী থানা ছাত্রদলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবুল কালাম আজাদ লেলিন “আজকের কাগজকে” বলেন, সাংবাদিকদের ভিডিও ধারনে বাঁধা এরকম আচরণ স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি। এ ঘটনা কোনভাবেই প্রশ্রয় বা মেনে নেওয়া সম্ভব নয় তাদের বিচার হতে হবে। সংবাদকর্মী স্বাধীনভাবে কাজ করবে তাদের ভিডিও করতে বাধা দেওয়ার এরা কারা? এরা কোন বিএনপি। বিএনপি’র রাজনীতি সুশৃংখল উশৃংখল নয়।

একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, সৃজনী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের নির্বাচন বানচাল করা ও সমিতির বিগত সময়ে আয় ব্যয় ও অনিয়ম ঢাকতে আজিজ বাঙালের হয়ে সাংবাদিকদের সাথে অপ্রীতিকর এবং অপ্রত্যাশিত আচরণ করেছে কবির ও সেলিম সমর্থকরা। বিগত দিনে সমিতির সদস্যদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে আয় ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে ব্যাপকভাবে লুটপাট হয়েছে বলেও সমিতির একাধিক সদস্যরা অভিযোগ তুলেছেন এখন নতুন করে আবার লুটপাটের পাঁয়তারা করছে তিনি। এ কারণেই কোন কিছু না জানিয়ে তড়িঘড়ি করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছে আজিজ বাঙ্গালির গ্রুপের সমর্থকরা। তারা বলছেন, বিগতদিনে আওয়ামী লীগের নেতা মিয়া তালুকদারের ঘনিষ্ঠ লোক হওয়ায় আজিজের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি এখনো সেই নিযের প্রভাব টিকিয়ে রাখতেই অর্থের বিনিময়ে কবির ও সেলিম সমর্থকদের ব্যবহার করছে আওয়ামী লীগের মিছিল মিটিংয়ের অর্থ যোগানদাতা এই কুটকৌশলি চতুর ধুরন্ধর আজিজ বাঙালি। এছারাও ফরম বিক্রয়ের দিন একটি ফরম ব্যতীত প্যানেলের অন্য কারও ফর্ম সংগ্রহ করতে দেন’নি আজিজ সমর্থকরা পরের দিনও একই ঘটনা। এটা গণতন্ত্র পরিপন্থী মৌলিক অধিকার হরনে শামিল যা কিনা ফোজদারি অপরাধ। আমরা এ বিষয়ে থানায়ও গিয়েছিলাম ডিসি অফিসেও অবগত করেছি বলে জানান ভুক্তভুগিরা।

এ বিষয়ে শাহ্আলী থানা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক সামছুল কবির “আজকের কাগজকে” বলেন, আমার সমর্থক কেউ সেখানে ছিলনা। আমি একা ছিলাম এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন আমিও এর নিন্দা জানাই। ৯৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি সেলিম “আজকের কাগজকে” বলেন, আমার ভাগিনা এখানে উপস্থিত নেই এবং আমার ভাগিনা বা সমর্থক পরিচয় কেউ কোনো অপরাধ বা আপনার সাথে দুর্ব্যবহার করারও সাহস দেখিয়ে থাকলে তাদের ছবি তুলে আমাকে দেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সৃজনী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের বর্তমান সভাপতি মোঃ আলমের মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি ম্যাসেজ দিলেও কোন উত্তর দেননি।”

এ বিষয়ে অপরাধ ও আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, সংবাদ সংগ্রহকালে বাধা দেওয়া বা দুর্ব্যবহার করা সংবিধান ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থী। পেশাগত দায়িত্ব পালনরত কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সহিংসতা, হুমকি এবং হয়রানি করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই অপরাধের জন্য দোষী ব্যক্তিকে অপরাধের মাত্রাভেদে এ ধারায় ৩২৩ ও ৩২৫ (স্বেচ্ছায় আঘাত করা): গায়ে হাত তোলা বা শারীরিক নির্যাতনের ক্ষেত্রে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ১ থেকে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে। অথবা ন্যূনতম ১ থেকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর