1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
১৮ দিনে শতাধিক হেক্টর জমি বিলীন, গৃহহীন ৭ শতাধিক পরিবার - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীর একটি সিদ্ধান্তেই রক্ষা পেল ৩ হাজারেরও বেশি গাছ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন: ২বছরের জন্য বহিষ্কার পাঁচ রুয়েট শিক্ষার্থী অনলাইন জুয়া ও মাদকের টাকা জোগাতে দাদিকে হত্যা: নাতিসহ গ্রেফতার ৩ দিনাজপুরের র‍্যাবের অভিযানে ৩২৭ কেজি বেলে পাথর জব্দ গ্রেপ্তার ২ ক্যান্সারে মৃত্যু-জীবনের দ্বারপ্রান্তে ফাহিম সারজিসের অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের ভারতীয় ভিসা-সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুতই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফজলুরকে জামায়াত আমির উনি গুরুতর অপরাধ করেছেন ‘পতনের মুখে’ পড়ে হরমুজ খুলতে চায় ইরান : ট্রাম্প পুলিশে নতুন করে সাড়ে ১৪ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮ দিনে শতাধিক হেক্টর জমি বিলীন, গৃহহীন ৭ শতাধিক পরিবার

মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ৭:৪৯ পিএম
শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গত ১৮ দিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে শতাধিক হেক্টর আবাদি জমি। তীব্র ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছে অন্তত ৭ শতাধিক পরিবার। ইতোমধ্যে সুখেরবাতি আদর্শগ্রাম ও চর গেন্দার আলগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা নদীতে তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মাসে উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের সুখেরবাতি, চর গেন্দার আলগা, সোনাপুর, পশ্চিম খেদাইমারী, ঘুঘুমারী ও নামাজের চর এলাকায় অন্তত ৭২০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নিঃস্ব এসব পরিবার বর্তমানে রাস্তার ধারে বা অন্যের জমিতে ঝুপড়ি ঘর তুলে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
ভাঙনকবলিত মানুষের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ ভাঙন অব্যাহত থাকলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে করে দিন দিন দুর্ভোগ বাড়ছে তীরবর্তী বাসিন্দাদের।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সমসের আলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ভাঙনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে জরুরি কোনো বরাদ্দ নেই।
এদিকে ভুক্তভোগীদের দাবি, দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *