1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কুবিতে নির্মিত হচ্ছে নান্দনিক অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট, তুলে ধরবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র পরিচয় - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নতুন মামলায় ইরানি নির্মাতা জাফর পানাহিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সব ম্যাচ জয়ের ছক কষছেন কোচ ডুলি বাংলাদেশ-জাপান ৬টি চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা মোশাররফ ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব বিএফআইইউর উখিয়ায় নলকূপের গ্যাসে আগুন, ৪০ ঘণ্টাতেও অধরা নিয়ন্ত্রণ জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখলে টেন্ডার বাজি-চাঁদাবাজি করা যাবে না: জাবের উৎপাদন খরচের চেয়ে দুধ-মাংসের বাজারমূল্য অনেক বেশি, সংসদীয় কমিটির নজরদারি গুম প্রতিরোধে সংবিধানে নতুন কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি, কুড়িগ্রাম-উলিপুরে জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভ ছাগলনাইয়ায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকন্যাকে জিম্মি করে সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়

কুবিতে নির্মিত হচ্ছে নান্দনিক অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট, তুলে ধরবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র পরিচয়

শারাফাত হোসাইন,কুবি প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ৬:৫২ পিএম
শেয়ার করুন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সৌন্দর্যবর্ধন এবং শিক্ষার্থীদের আড্ডা, অবসরযাপন ও একসঙ্গে ছবি তোলার একটি আকর্ষণীয় স্থানের জন্য মুক্তমঞ্চের পাশে টিলার ওপর আধুনিক ‘অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট’ নির্মাণ করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে শিক্ষার্থীদের বসার ব্যবস্থা, সিঁড়ি নির্মাণ, ল্যান্ডস্কেপিং ও ফুড হাব তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানটি শিক্ষার্থীদের আড্ডা, দলগত ছবি তোলা, ব্যাচভিত্তিক বিভিন্ন আয়োজন এবং ছাত্রসংগঠনগুলোর কার্যক্রমে একত্র হওয়ার প্রাণবন্ত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।‎
‎সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ও অনুমোদন পাওয়ার বিষয়টি জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম।
‎
‎জানা যায়, অ্যাসেম্বলি পয়েন্টের অন্যতম আকর্ষণ হবে একটি স্বতন্ত্র সাইনেজ, যা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় ও দর্শনকে ধারণ করবে। এতে ‘Learn, Create, Connect and Lead’—এই চারটি শব্দ স্থান পাবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন ও ভিশনের মূল ভাবনাকে তুলে ধরবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও উদ্ভাবন, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা এবং দেশ ও সমাজের উন্নয়নে নেতৃত্ব প্রদানের প্রত্যয় প্রকাশ পাবে। নান্দনিক নকশার এই সাইনেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র পরিচয় তুলে ধরার পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্র্যান্ডিংয়েও ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।
‎
‎এ ছাড়া অ্যাসেম্বলি পয়েন্টের পাশে কলা অনুষদের নিচে ছয়টি স্টলসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ফুড হাব এবং তার সামনে শিক্ষার্থীদের বসা, দলগত অধ্যয়ন ও অবসর সময় কাটানোর উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন৷‎
‎প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে তুলতে প্রায় ৮০ লাখ টাকার একটি মাস্টার প্ল্যান গ্রহণ করা হয়েছে। এর প্রথম পর্যায়ে টিলার ওপরের অংশকে অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে ১৫ লাখ টাকার বরাদ্দ ও অনুমোদন পাওয়া গেছে।
‎
‎প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার এস. এম. শহিদুল হাসান বলেন, “প্রথম ধাপের কাজ শেষ হলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে অ্যাসেম্বলি পয়েন্টের পরিসর বাড়ানো হবে। এ সময় ছয়টি স্টলসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ফুড হাব গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের খাবারের সুবিধার পাশাপাশি আড্ডা ও অবসর কাটানোর পরিবেশ তৈরি হবে। এ ছাড়াও মাস্টার প্ল্যানের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীল রঙের বাসগুলো রাখার স্থানটি ল্যান্ডস্কেপিং ও সৌন্দর্যবর্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।”
‎
‎বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাবান্ধব ও প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। মুক্তমঞ্চের পাশের নীল বাস রাখার স্থান থেকে শুরু করে কলা অনুষদের নিচে পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাটি নিয়ে একটি মাস্টার প্লেন রয়েছে। তা বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ হিসেবে ইউজিসি থেকে অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট নির্মাণের অনুমোদন পেয়েছি। মাস্টার প্লেনের অবশিষ্ট উন্নয়নকাজ প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও বরাদ্দ সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।”
‎
‎তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর, সৃজনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্যাম্পাসের পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র পরিচয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীর সবার সহযোগিতায় এসব উদ্যোগ ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে।”

এই বিভাগের আরো খবর