
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল হোসেনের নির্দেশনায় র্বিসিক শিল্পনগরীর কয়েকটি কারখানায় বুধবার ( ২৮ মে) ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সহযোগিতা করেছেন, কুমিল্লার বিএসটিআই, ও চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের একটি টিম।
আদালত পরিচালনাকালে টিপানি ক্যামিকেল এন্ড কনজুমার এর পণ্য উৎপাদন কারখানায় উৎপাদিত ভেজিটেবল সস বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ব্যতীত দীর্ঘদিন বাজারজাত করছেন মর্মে পরিলক্ষিত হয়৷ এছাড়াও সস উৎপাদনে উক্ত প্রতিষ্ঠান ক্ষতিকারক রঙ ব্যবহার করছেন এবং এই রঙ খাবার উপযোগী মর্মে কোন প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।
উল্লেখিত অপরাধ সমুহের জন্য টিপানি ক্যামিকেল এন্ড কনজুমার কে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন আইন, ২০১৮ মোতাবেক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, তৎক্ষণাৎ অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করেন।
বিসিক শিল্পনগরীর আলিফ ফুড বেকারি নামের অপর একটি প্রতিষ্ঠান বিএসটিআইয়ের নির্দেশনা অমান্য করে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার উৎপাদন করছেন। এছাড়াও, খাবার উৎপাদন এর কাজে নিয়োজিত কর্মীরাও কোন ধরনের স্বাস্থ্যবিধি না মেনে কাজ করেছেন। খোলা অবস্থায় সকল প্রস্তুতকৃত বিস্কুট অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা হয়েছে।
উল্লেখিত অপরাধসমূহের জন্য- আলিফ ফুড বেকারি কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান, তৎক্ষণাৎ অনাদায়ে ০৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়।
তবে আরোপিত অর্থদণ্ড তৎক্ষণাৎ আদায় হওয়ায় কাউকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়নি।