
৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১৩৯টি উপজেলার সঙ্গে গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।
তার মধ্যে ফুলছড়ি উপজেলা চর এলাকাগুলোতে সেন্টার দখল করে মোটরসাইকেল প্রতিক সমর্থিত লোকজন, ঘোড়া মার্কা এজেন্ট কে মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ এনে নির্বাচনের ভোট বর্জন করলেন ঘোড়া প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী জিএম সেলিম পারভেজ।
আজ বুধবার (৮ মে) দুপুর টার দিকে কঞ্চিপাড়া এমএইউ স্কুল ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই ভোট বর্জনের ঘোষনা দেন।
সকাল ৮ টার সময় ভোট গ্রহন শুরুর ১ ঘন্টা পর হতে ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন চরের ২০টির বেশি অধিক কেন্দ্রে ভোট ডাকাতির অভিযোগ আসতে শুরু করে বলে অভিযোগ সেলিম পারভেজের।
এসময় ঘোড়া মার্কা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী জিএম সেলিম পারভেজ অভিযোগ গুলো রির্টিনিং কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের উদ্ধতন কর্মকর্তাকে জানালেও তারা কোন অভিযোগ আমলে নেইনি বলে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।একইসাথে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষনা দেন।
ভোট বর্জনের ঘোষনা দেয়ার সময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য গোপনে তার পছন্দের মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে এলাকায় উপস্থিত থেকে ভোটের আগের দিন রাতে তার নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে এই উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ সকলকে হুমকি ধামকিসহ বিভিন্ন ভাবে প্রলোভিত করে এই সুষ্ঠ ভোটের পরিবেশ নষ্ট করেছেন।
আর এই কারনেই আমার সাধারন ভোটারগন আজ আতঙ্কিত। যার কারনেই আমি যেখানে জনগনের ৮০ শতাংশ ভোট পাওয়ার কথা সেখানে আমাকে নির্বাচন বর্জন করতে হল। স্থানীয় সংসদ সদস্যের এই আচরন নির্বাচনী আচরন বিধিমালা ভঙ্গের সামিল বলে আখ্যায়িত করেন জেএম সেলিম পারভেজ
এসময় তিনি আরও বলেন, ফজলুপুর, ফুলছড়ি, এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান, তাদের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদেরকে সঙ্গে নিয়ে ঐ ইউনিয়ন গুলির বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র দখল করে নেক্কারজনক ভাবে ভোট ডাকাতি করেছেন।
জিএম সেলিম পারভেজ আরও বলেন, আমি সকাল থেকে প্রায় ২০ বার অভিযোগগুলো রির্টানিং কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাকে জানালেও তারা ব্যাবস্থা নেই নিচ্ছি বলে পাশ কাটিয়ে জান। তারা সেইসময় অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নিলে আজ এই ভোটটি প্রশ্নবিদ্ধ হতো না।
Leave a Reply