1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
যুবদল নেতার বিরুদ্ধে |: গোমস্তাপুরে ব্যবসায়ীকে নিরাপত্তা ঘটনায়, টাকা ছিনতাইয়ের - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চৌদ্দগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত যুবদল নেতার বিরুদ্ধে |: গোমস্তাপুরে ব্যবসায়ীকে নিরাপত্তা ঘটনায়, টাকা ছিনতাইয়ের শিক্ষামন্ত্রী: আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নে হবে লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু: জড়িতদের ধরতে মাঠে পুলিশ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা কুমিল্লায় প্রাইভেটকার থেকে ২৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২ অবশেষে ব্যাপক সমালোচনার মুখে শ্যালিকাকে তালাক দেয়ার ঘোষণা দিলেন টিকটকার মাসুদ কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে ২৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বাসমতি চাল ও ফুচকা জব্দ ইমারত বিধিমালা লঙ্ঘন: ৫ ভবনে অভিযান, সিলগালা ২; ব্র‍্যান্ড ব্র‍্যাকেটকেই জরিমানা ৮ লাখ টাকা বরিশাল ইউনিভার্সিটি ক্যারিয়ার ক্লাবের নেতৃত্ব রবিউল-সাজিদ

যুবদল নেতার বিরুদ্ধে |: গোমস্তাপুরে ব্যবসায়ীকে নিরাপত্তা ঘটনায়, টাকা ছিনতাইয়ের

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ৭:৪৪ পিএম
শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীকে মারধর, হত্যার হুমকি ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জেলা যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. রুবেল হোসেন (৪১) বাদী হয়ে জেলা যুবদলের সদস্য আল আমিন বিশ্বাসকে প্রধান আসামি করে ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ২৬ অক্টোবর থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। একপর্যায়ে আল আমিন বিশ্বাস, তাঁর ভাই মো. মোমিন হোসেন ও মো. নুরুল ইসলামসহ ২০ থেকে ২৫ জন লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া, আল আমিনকে উপস্থিত ব্যক্তিদের মারধরের নির্দেশ দিতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। তাঁর ভাই আমার বাড়িতে বোমা ফাটিয়ে দেওয়ার প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছেন। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রায় ছয় মাস আগে আল আমিন বিশ্বাস রুবেল হোসেনের শোরুম থেকে এলইডি টেলিভিশন কেনেন।

৬ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করলেও বাকি ২ হাজার ৫০০ টাকা বকেয়া ছিল।

দীর্ঘদিন সেই টাকা ফেরত চাওয়ায় অভিযুক্ত নেতা নানা টালবাহানা শুরু করেন। সর্বশেষ ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোমস্তাপুর ইউনিয়নের বাজারপাড়া বাজারের সিনেমা হলসংলগ্ন মশিউর রহমানের ডেকোরেটরের দোকানে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে রুবেলকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা আল আমিন ও তার সহযোগীরা তাকে মারধর শুরু করেন। সেখানে পৌঁছালে আগে থেকে অবস্থান করা ব্যক্তিরা তাঁকে গালিগালাজ করেন।

ব্যবসায়ী রুবেল হোসেনের অভিযোগ, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাকে বেধড়ক পেটানো হয়। মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চেপে ধরা হয় এবং তার পকেট থেকে নগদ আড়াই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। হামলার সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ সময় পকেটে থাকা নগদ আড়াই লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন মিলে রুবেলকে মারধর করছে এবং আল আমিন বিশ্বাস তাদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। ফুটেজে রুবেলের টি-শার্ট খুলে নেওয়ার দৃশ্যও রয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, হামলার পর থেকে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তার বাড়িতে বোমা ফাটানোর হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৫ আগস্টের পর আরও তিন ব্যবসায়ীকে একইভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। ব্যবসায়ীর দাবি, হামলাকারীদের আঘাতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। তাঁরা ভয়ে মুখ খুলছেন না, এমনকি আইনের আশ্রয়ও নিতে পারছেন না। আমার মতো আর কেউ যেন এমন হামলার শিকার না হন, সে জন্য দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।’।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা যুবদলের সদস্য আল আমিন বিশ্বাস মারধরের কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, টেলিভিশন বাবদ বকেয়া টাকা নিয়ে ১৬ অক্টোবর বিকেলে হেলিপ্যাড এলাকায় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। সন্ধ্যায় মীমাংসার জন্য বসলে রুবেল উচ্চবাচ্য করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন তাকে মারধর করেছে। তবে টাকা ছিনতাই বা বিবস্ত্র করার অভিযোগটি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন তিনি। আল আমিনের দাবি, রুবেলের চাচাতো ভাইয়ের কাছে তার পাওনা থাকা টাকা নিয়ে জটিলতা থেকেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু তিনি আমাকে যখন-তখন অসম্মানজনক কথা বলেছেন।

গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান, মামলার পর পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে। তবে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দেওয়ায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার পাশাপাশি প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

এই বিভাগের আরো খবর