1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
চট্টগ্রামে ছিনতাইয়ের ‘২৯০ ভরি’ স্বর্ণ উদ্ধার, সাবেক পুলিশ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৬ - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দেশে আসছে পেপ্যাল, ২ লাখ ফ্রিল্যান্সার পাবেন পরিচয়পত্র : প্রধানমন্ত্রী নৌ অবরোধ তুলে নিলে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব হবে না: ট্রাম্প অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত ইরানের শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিলেন স্ত্রী ‎ক্লাস পরিক্ষা বন্ধ করে শিক্ষকদের আন্দোলন,ক্ষোভ ও হতাশায় ববির শিক্ষার্থীরা হিলিতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জে শ্রীনগরে সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৭ কুড়িগ্রামে ট্রলিচাপায় শিশুর মৃত্যু চলমান আন্দোলন নিয়ে ববি শিক্ষকদের মধ্যে মতভেদ, স্বাক্ষর ব্যবহার নিয়ে নিজস্ব ফেসবুক গ্রুপে প্রতিবাদ

চট্টগ্রামে ছিনতাইয়ের ‘২৯০ ভরি’ স্বর্ণ উদ্ধার, সাবেক পুলিশ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬ ৭:৫৮ পিএম
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে স্বর্ণের বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় চাকরিচ্যুত এক পুলিশ সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার এবং ‘২৯০ ভরি’ স্বর্ণ উদ্ধারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ।

চারদিন আগে রোববার ভোরে নগরীর আতুরার ডিপো এলাকায় ‘৩৫০ ভরি’ ওজনের স্বর্ণের বার ছিনতাই হয়।

ছিনতাইয়ের স্বর্ণের একটি অংশ উদ্ধার ও ছয়জনকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য শুক্রবার বিকালে পাঁচলাইশ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেপ্তার করা ছয়জন হলেন, চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য সুমন চন্দ্র দাশ (৪২) ও তার স্ত্রী পান্না দাশ (৩৮), মো. মাসুদ রানা ওরফে বাইক বাবু (৩০), রফিকুল ইসলাম ইমন (২২), সুমনের চাচাতো ভাই রবি চন্দ্র দাশ (৪০) ও তথ্যদাতা বিবেক বণিক (৪২)।

নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম বলেন, সবুজ দেবনাথ নামে এক স্বর্ণকার তার সহযোগীসহ ৩৫০ ভরি ওজনের ৩৫টি স্বর্ণের বার নিয়ে নগরীর সাবেরিয়া থেকে অক্সিজেন যাচ্ছিলেন। আতুরার ডিপো এলাকায় দুইটি বাইকে করে আসা চার ব্যক্তি অটোরিকশা আটকে তাদের মারধর করে স্বর্ণের বারগুলো ছিনিয়ে নিয়ে যায়।এ পাঁচলাইশ থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশের তদন্ত শুরুর কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করা হয়। এ দলটি বৃহস্পতিবার গাজীপুরের কাশিমপুরের মাধবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমন, ইমন ও বাইক বাবুকে গ্রেপ্তার করে। ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি বাইকও জব্দ করা হয়।

আমিরুল ইসলাম বলেন, ছিনতাই করা স্বর্ণের বারগুলো সুমনের স্ত্রী পান্না ও চাচাতো ভাই রবি দাশের হেফাজতে রয়েছে জানার পর সেদিন বিকালে ঢাকার রায়েরবাজার এলাকা থেকে রবি দাশ গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রামের হালিশহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পান্নাকে।

“তাদের দেওয়া তথ্যে ঢাকার মোহাম্মদপুরে রবির বোনের বাসা থেকে ২৯টি বার উদ্ধার করা হয়,” বলেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ-সিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপকমিশনার (উত্তর) হামিদুর রহমান বলেন, ছিনতাইয়ের নেতৃত্বে থাকা সুমন পুলিশের এএসআই ছিলেন। আগেও তিনি স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এ কারণে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

পাঁচলাইশ থানার ওসি মো. আব্দুল করিম বলেন, ছিনতাইয়ের শিকার সবুজ দেবনাথ নগরীর হাজারী লেইনের কৃষ্ণ চন্দ্র কর্মকার নামে একজন ব্যবসায়ীর মালিকানাধীন জুয়েলারি দোকানের কর্মচারী। সবুজসহ তিনজন ওই দোকানের ৩৫টি সোনার বার নিয়ে নগরীর সাবেরিয়া থেকে অটোরিকশায় করে বায়েজিদ বোস্তামি যাওয়ার সময় ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন।

গ্রেপ্তার হওয়া বিবেক ও সবুজ এক দোকানে কাজ করতেন জানিয়ে ওসি বলেন, “সাবেক এএসআই সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল বিবেকের। বিবেক তাকে তথ্য দেন যে, তাদের দোকানের একজন কর্মচারী সোনার বার নিয়ে যাবে। এরপর সুমন ছিনতাইয়ের মূল পরিকল্পনা সাজান।”

এ ঘটনায় জড়িত আরও একজন পলাতক, তাকে গ্রেপ্তার ও বাকি স্বর্ণগুলো উদ্ধারের চেষ্ট চলছে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *