
নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকহরিনারায়ন দাখিল মাদ্রাসায় ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজন প্রীতিসহ নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে সুপারের বিরুদ্ধে।
২৮ এপ্রিল সোমবার দুপুরে মোহাম্মদ জাকির হোসাইন নামে এক ব্যক্তি ওই মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত এসব অনিয়মের অভিযোগ করেছেন। মাদ্রাসা সুপার তার মেয়েকে নিজ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের পাঁয়তারাসহ বিভিন্ন প্রার্থীর সঙ্গে আর্থিক লেন-দেনের অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে প্রকাশ, এ মাদ্রাসার ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে সুপারেনটেনডেন্ট তার ছোট মেয়ে উম্মে আখি আক্তারকে নিয়োগ দিতে সকল প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অফিস সহায়ক পদে জনৈক আজিজুল ইসলাম ও শাহীন আলমসহ একাধিক প্রার্থীর সঙ্গে অবৈধভাবে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও আফজাল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন করার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগকারী জাকির হোসেন বলেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি যথাযথভাবে প্রচার না করে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছে এবং পরিচালনা কমিটির অনেক সদস্যকে অন্ধকারে রেখেই এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এক কর্মচারীর নামে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বেতন উত্তোলন করা হচ্ছে, যা বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম। অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ও অফিস সহায়ক পদে তার মেয়ে আঁখি এবং অভিযোগকারীর ছোট ভাই গোলাম রাব্বানীসহ সম্ভবত ২২ জন আবেদন করেছেন দাবী করে মাদ্রাসার সুপারেনটেনডেন্ট আবদুল মান্নান প্রামাণিক বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।নিয়োগের ক্ষেত্রে সকল সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এবং ওই কর্মচারী ৮ মাস অনুপস্থিত থাকাই তাকে ৮ মাসের বেতন বাদ দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply