1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
পরকীয়া গোপন রাখতে দম্পতিকে হত্যা: পুলিশ - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নেতানিয়াহুর পতন ঘটাতে একাট্টা ইসরায়েলের চার বিরোধী দল নাহিদ ইসলাম: শ্রমিক আন্দোলনে যদি ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশ ঘটে, এর দায়ভার সরকারের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কায় ট্রাম্প, বড় পরীক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইউরো দলে সুযোগ পেল রোনালদোর ছেলে তিন মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পরকীয়া গোপন রাখতে দম্পতিকে হত্যা: পুলিশ শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি বিক্ষোভ ঘিরে সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাঠে বিএনপি জিপিএ-৫ ও পাসের হারে ঢাকা বোর্ডে সবার পেছনে মানিকগঞ্জ!

পরকীয়া গোপন রাখতে দম্পতিকে হত্যা: পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ ৬:৪২ পিএম
শেয়ার করুন

পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় স্বামী-স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ সেচযন্ত্রের গর্তে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

যশোরের কেশবপুর উপজেলার মাগুরখালি ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের একটি ধানক্ষেতে সেচযন্ত্রের পানি নিষ্কাশনের গর্ত থেকে আলেক সর্দার (৪৫) ও তার স্ত্রী মাজেদা বেগমের (৩৮) অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যশোর জেলা পুলিশের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মণিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ইমদাদুল হক। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ঘটনায় সোমবার কেশবপুর উপজেলার মাগুরখালি গ্রামের নুর ইসলামের স্ত্রী জেসমিন বেগম (৩৮) এবং একই গ্রামের কিসমত সরদারের ছেলে মোস্তফা কামালকে (৪৫) গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ৩১ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কেশবপুর উপজেলার মাগুরখালি ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের প্রভাত বিশ্বাসের ধানক্ষেতে সেচযন্ত্রের পানি পড়ার স্থানে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের অর্ধগলিত লাশ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে এবং পরে তাদের পরিচয় শনাক্ত করে।

সংবাদ সম্মেলনে এএসপি ইমদাদুল হক জানান, জেসমিন ও মাজেদা বেগম যশোরের অভয়নগরে আকিজ জুট মিলে কাজ করতেন। গত ৩০ অক্টোবর শুক্রবার মিল বন্ধ থাকায় সকালে বাড়ির কাজ শেষ করে তারা দুজন মাঠে ঘাস কাটতে যান। ওই সময় মাজেদার স্বামী আলেকও মাঠে কাজ করছিলেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক জেসমিন জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, মোস্তফা কামালের সঙ্গে তার প্রায় চার-পাঁচ মাস ধরে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। ঘটনার দিন মাঠে জেসমিন ও মোস্তফাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন মাজেদা। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি গোপন রাখতে মাজেদা ও তার স্বামী আলেককে হত্যার পরিকল্পনা করেন তারা।

পুলিশ জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী জেসমিন কৌশলে মাঠের এক পাশে কলমিশাক পাওয়া যাবে বলে প্রলোভন দেখিয়ে আলেক ও মাজেদাকে একটি ঘেরের পাশে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছালে মোস্তফা তার হাতে থাকা ধারালো কাঁচি দিয়ে আলেকের শরীর ও মাথায় আঘাত করেন।

অন্যদিকে, জেসমিন ওড়না দিয়ে মাজেদার গলায় ফাঁস দেন। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে কাঁচি দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। এরপর দুজনের লাশ পুরোনো সেচযন্ত্রের গর্তে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত আলেক সর্দার ও মাজেদা বেগমের মেয়ে সাবিনা খাতুন বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, মামলা হওয়ার পর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করে পুলিশের একটি দল। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২ নভেম্বর রাতে প্রথমে জেসমিন বেগম এবং পরে মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের দাবি, জেসমিন ও মোস্তফার ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই এ জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।

আটক দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর