
পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বড় ছেলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জুনিয়র প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছে পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলে। রোনালদো জুনিয়রের ক্যারিয়ারে এটা অন্যতম এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
চলতি মাসে চলছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ। এই টুর্নামেন্ট সামনে রেখে কোচ ফিলিপে রামোস ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন। রামোসের দলে জায়গা পেয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জুনিয়র। ‘ক্রিস্টিয়ানিনহো’ নামে পরিচিত রোনালদো জুনিয়র বর্তমানে সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের যুব দলে খেলছেন।
ক্রিস্টিয়ানিনহোর বাবা রোনালদো আল নাসরের হয়ে খেলছেন। বাবার পথ অনুসরণ করে বয়সভিত্তিক ফুটবলে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে এই তরুণ ফুটবলার। পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম জিরোজিরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ক্লাবের হয়ে সাত ম্যাচে তিন গোল করেছেন তিনি। বয়সভিত্তিক ফুটবলেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র। ২০২৫ সালের মে মাসে পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল তার।
দেশটির বয়সভিত্তিক বিভিন্ন দলে ১৩ ম্যাচে ৫ গোল করেছে ক্রিস্টিয়ানিনহো। অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে চার ম্যাচে করেছিল ২ গোল। এরপর সুযোগ পায় অনূর্ধ্ব-১৬ দলে। সেখানে ৯ ম্যাচে ৩ গোল করে এবার রোনালদো জায়গা করে নিয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ দলে।
পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী বাবা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে তুলনা স্বাভাবিকভাবেই আসছে জুনিয়রের নামের সঙ্গে। তবে বাবার পরিচয়ের বাইরে নিজের সামর্থ্য ও পারফরম্যান্স দিয়ে আলাদা অবস্থান গড়ে তোলাই এখন তাঁর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। অনুষ্ঠেয় বাছাইপর্বে পর্তুগালের জার্সিতে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের পরবর্তী পর্বে জায়গা করে নিতে চার দলের গ্রুপে অন্তত দ্বিতীয় হতে হবে পর্তুগালকে। বাছাইপর্বে তাদের প্রতিপক্ষ অ্যান্ডোরা, বুলগেরিয়া ও সার্বিয়া।
১১ নভেম্বর অ্যান্ডোরার প্রতিপক্ষ পর্তুগাল। প্রত্যেক ম্যাচের আগে দুদিন করে বিরতি পাচ্ছে পর্তুগিজরা। ১৪ নভেম্বর বুলগেরিয়ার বিপক্ষে খেলবে পর্তুগাল। পর্তুগিজদের পরের ম্যাচের প্রতিপক্ষ সার্বিয়া। এই ম্যাচ হবে ১৭ নভেম্বর।