1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ গতি শহরে ও গ্রামে ৩০ কিলোমিটার,লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা - আজকের কাগজ
বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের এই অভয়ারণ্য উচ্ছেদে অভিযান অব্যাহত থাকবে: র‍্যাব মহাপরিচালক ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাট কিনতে ১ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার একদিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দামে রেকর্ড পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ে ইতিহাস বাংলাদেশের পরিবর্তন করতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে : নৌপরিবহন উপদেষ্টা ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ প্রার্থীর কুমিল্লায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আসল পরিচয় মিলল ‘সিরিয়াল কিলার’ সম্রাটের, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করি : তারেক রহমান নির্বাচন নিয়ে যারা সংশয় প্রকাশ করছেন, তাদের ইতিহাস আমরা জানি : প্রেসসচিব

মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ গতি শহরে ও গ্রামে ৩০ কিলোমিটার,লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ মে, ২০২৪
শেয়ার করুন

দেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা কমিয়ে আনতে ‘মোটরযানের গতিসীমা সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০২৪’ জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী সড়ক ভেদে মোটরসাইকেলে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার। শহরে ও গ্রামে সর্বোচ্চ গতি ৩০ কিলোমিটার।

যদি কেউ গতিসীমা লঙ্ঘন করে তার বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অমান্যকারীকে তিন মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।
গত মঙ্গলবার (৭ মে) বাংলাদেশ সড়ক কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান (গ্রেড ১) নূর মোহাম্মদ মজুমদার স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনা পত্রে বিষয়টি জানা যায়। ওই পত্রে ১০ ধরনের জন্য সড়কের ৬টি ক্যাটাগরিতে গতিসীমা নির্ধারণ করতে দেখা গেছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার, জাতীয় মহাসড়কে (ক্যাটাগরি-এ) ৫০ কিলোমিটার, জাতীয় (ক্যাটাগরি-বি) ও আঞ্চলিক মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার, জেলা সড়কে ৫০ কিলোমিটার, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা/জেলা সদরে ৩০ কিলোমিটার, উপজেলা মহাসড়ক ও শহর এলাকায় প্রাইমারি আরবান সড়কে ৩০ কিলোমিটার, শেয়ার রোড ও অন্যান্য সড়ক এবং গ্রামীণ সড়কে ৩০ কিলোমিটার।

অন্যান্য পরিবহনের গতিসীমা
গাইডলাইন অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়েতে বাস, মিনিবাস, কার, এসইউভি, মাইক্রোবাস এবং অন্যান্য হালকা যানবাহনের সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার।

ট্রাক, ছোট ট্রাক এবং অন্যান্য পণ্যবাহী যানবাহনের ক্ষেত্রে এই সীমা হবে ৫০ কিলোমিটার এবং বাইকের ক্ষেত্রে ৬০ কিলোমিটার এবং আর্টিকুলেটেড লরির ক্ষেত্রে হবে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এক্সপ্রেসওয়ে ও জাতীয় সড়কে তিন চাকার যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। জাতীয় মহাসড়কে (ক্যাটাগরি এ) প্রাইভেটকার, এসইউভি, মাইক্রোবাস, বাস, মিনিবাসসহ অন্যান্য হালকা যানবাহন সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার গতিতে চলাচল করতে পারবে এবং ট্রাক, বাইক এবং আর্টিকুলেটেড লরির জন্য সীমা হবে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার।

জাতীয় সড়কে (ক্যাটাগরি বি) গাড়ি, বাস ও মিনিবাসের গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার, বাইকের জন্য ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার এবং ট্রাক ও আর্টিকুলেটেড লরির জন্য ৪৫ কিলোমিটার।

জেলা সড়কে গাড়ি, বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার, বাইক ৫০ কিলোমিটার এবং ট্রাক ও আর্টিকুলেটেড লরির ক্ষেত্রে ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার গতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা শহরের ভেতরের রাস্তায় গাড়ি, বাস ও মিনিবাসের গতিসীমা হবে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার এবং ট্রাক, মোটরসাইকেল ও আর্টিকুলেটেড লরিতে গতিসীমা থাকবে ৩০ কিলোমিটার। গাইডলাইনে উপজেলা ও গ্রামের রাস্তার গতিসীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বাজার ও আবাসিক এলাকার কাছাকাছি গতিসীমা নির্ধারণ করে দেবে। তবে জাতীয় সড়কে ৪০ কিলোমিটার এবং আঞ্চলিক মহাসড়কে ৩০ কিলোমিটারের বেশি হবে না।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এই নিয়ম অ্যাম্বুলেন্স এবং ফায়ার সার্ভিসের মতো জরুরি পরিষেবা দেওয়া যানবাহনের জন্য প্রযোজ্য হবে না।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *