1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
শাহআলীর তিন পুলিশের বিরুদ্ধে আইজীপির কাছে অভিযোগ - আজকের কাগজ
রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
‘নির্বাচিত সরকারের প্রথম দায়িত্ব হবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ’ সরকারের উদ্যোগে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে ওসমান হাদিকে ফের রাজধানীতে বাসে আগুন রাজাকারের ঘৃণাস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ, লক্ষ্যভেদে মিলছে পুরস্কার তদন্তে প্রমান মিললেও র‍্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে শাস্তি কার্যকরে কালক্ষেপন ববি প্রশাসনের শীতকে বরণ করে নিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শীত উৎসব’ রুয়েটে অর্ধদিবস ব্যাপী কর্মসূচিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত কর্ণফুলীর মইজ্জারটেক এলাকায় নকল সাবান উৎপাদনের একটি কারখানায় র‍্যাব’র অভিযান হিলিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ ঝিনাইগাতী ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রুবেল

শাহআলীর তিন পুলিশের বিরুদ্ধে আইজীপির কাছে অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪
শেয়ার করুন

দুষ্টের দমন সৃষ্টির পালন পুলিশের করণীয় কর্তব্য বলে বিবেচিত তবে কিছু পুলিশ সদস্যদের কর্মকান্ডে যেমন পুরো বাহিনী কে প্রশ্নবিদ্ধ করে! তেমনি কিছু পুলিশ সদস্যদের নানা মুখি জনবান্ধব কর্মকান্ডে প্রশংসায় ভাসিয়ে তোলে এ বাহিনীকে। এ সকল দুষ্টু পুলিশ সদস্যদের এহেন অপরাধ অপকর্ম কারনে বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্তার পাশাপাশি সুনাম কমবে বলে মনে করেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা।

অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের এসআই কনস্টেবল, থেকে শুরু করে কিছু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জড়িয়ে পড়ছে নানা অপরাধে। প্রায় প্রতিদিনই পুলিশের নানা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ছে পুলিশ সদর দপ্তরে। চাঁদাবজি, প্রভাব বিস্তার, মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সুসম্পর্ক, আসামি গ্রেফতারের নামে অর্থ আদায়, মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পরা, জমিজমা-সংক্রান্ত মামলায় হস্তক্ষেপ, মিথ্যা মামলা ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, মামলা রেহাইয়ের নামে টুপাইছ কামানো, পরকীয়া, নারী নির্যাতন, আসামি নির্যাতনের, ও অর্থ আদায়ের অভিযোগই সবচেয়ে বেশি হচ্ছে।

এমনই এক অভিযোগ উঠেছে শাহ আলী থানার এক এসআই ও দুই এএসআই এর বিরুদ্ধে তারা সন্দেহ ভাজন একজনকে গ্রেফতার করে নির্যাতনের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন টাকা। এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী মাননীয় পুলিশ কমিশনার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন ৪/৪/২০২৪। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন শাহআলী থানা এসআই (SI) এমাদুল হক,  এএসআই বদিউজ্জামান ও এএসআই  কামরুজ্জামান।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে গুদারাঘাটের ৮ নাম্বার রোডে জাকিরের চার দোকানে চা খাচ্ছিলেন ও ক্রিকেট খেলা লেখছিলে রিজন। হঠাৎ এ সময় মটোরসাইকেল যোগে সিভিল পোশাকে এসে এস আই এমাদুল এএসআই বদিউজ্জামান ও এএসআই কামরুজ্জামান রিজনকে টেনে হিচরে থানায় নিয়ে যায়। পরে রিজনের ভাই ভুক্তভোগী সোহাগ তার বন্ধু আল-আমীনকে নিয়ে ঘটনা বিষয়ে জানতে চাইলে এস আই এমাদুল তাকে থানার অফিসার্স রুমে আসতে বলেন। থানা অফিসার্স রুমে যাওয়ার পরেই কোন কথা না বলে এসআই এমাদুলের নির্দেশে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দেয় সোহাগের হাতে এএসআই কামরুজ্জামান। এ সময় এমাদুল তাদের কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করে ! তিন লাখ টাকা না দিলে তাদেরকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দিবে বলে হুমকি দেয় এবং তাদেরকে লাঠিদিয়ে বেধরাক নির্যাতন করে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে নির্যাতনের এক ফাঁকে সোহাগের কাছে থাকা আট হাজার টাকা ও আলা-মীনের কাছে থাকা পাঁচ হাজার টাকা তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় এসআই এমাদুল। টাকা নেওয়ার পর তাদেরকে হাজতখানায় লকাপ করে আটকে রাখে প্রায় তিন ঘন্টা। তিন ঘন্টা পর হাজতখানায় এসে এসআই এমাদুল আরও টাকা দাবি করে! পরে সোর্স মন্টুর কাছে বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দিয়ে হাজাতখানার ভেতর থেকে ছাড়া পান ভুক্তভুগি সোহাগ এবং তার ভাই রিজন ও বন্ধু আল-আমীন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহাগ বাদি হয়ে মাননীয় আইজিপি সিকিউরিটিসেল ও পুলিশ কমিশনার এবং মাননীয় স্বরাষ্ট্র সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।সিকিউরিটিসেলে জমা দেওয়া অভিযোগের রিসিভ কপি “আজকের কাগজের” হাতে এসেছে। এছাড়া এই অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে, একাধিক মাদক ব্যবসায়ীদের থেকে উৎকোচ নেওয়া, মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সুসম্পর্ক, আসামি গ্রেফতারের নামে অর্থ আদায়, জমিজমা-সংক্রান্ত মামলায় হস্তক্ষেপ, মিথ্যা মামলা ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, মামলার চার্জশীট থেকে রেহাইয়ের নামে টুপাইছ কামানো, এভাবে অবৈধ উপার্জনের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন এই কর্মকর্তা পাশাপাশি কিনেছেন শাহআলী থানার পাশে বি-ব্লকের ২ নং-রোডের ৯ নাম্বার বাড়িতে একটি ফ্লাটও।

এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিষয়ে শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মওদুদ হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি “আজকের কাগজকে” বলেন, “কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় নেবে না বাহিনী”। “থানার অধিনস্থ কোন পুলিশ যদি চাঁদাবাজি ও ঘুষ গ্রহণের সাথে জড়িত থাকে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনআনুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে”।”এমন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানান তিনি”।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দোষী পুলিশদের বিরুদ্ধে অতি শীঘ্রই আইনের আওতায়া এনে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া গেলেই জনবান্ধব পুলিশ আরও জনগণের কাছে বিশ্বস্ত ও আস্থার প্রতিকে পরিণত হবে। তারা আরও বলেন, অপরাধ দমনের জন্য রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সুবিধাপ্রাপ্ত একটি আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা যখন নিজেরাই অপরাধে জড়িয়ে যায় তখন সামগ্রিকভাবে এই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে ভাবতে হয় সংবেদনশীল নাগরিকদের। এসব ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সদস্যদের মধ্যে অর্থলিপ্সা বাড়ছে এবং এজন্য তারা গুরুতর অপরাধ সংঘটনেও পিছপা হচ্ছে না। এটি শুধু উদ্বেগজনক নয়, অত্যন্ত বিপজ্জনকও বটে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *