1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
সিরাজগঞ্জ ৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৭৪ এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকার’ করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের আসামি সাবেক সেনা কর্মকর্তা আটক ১৪ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে প্রাইভেট কারে নেওয়া হচ্ছিল ইয়াবা, আটক ৩ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়ল শিক্ষার্থীরা বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে খালাস

সিরাজগঞ্জ ৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

ইসরাফিল আহসান
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ মে, ২০২৪ ১২:১৫ পিএম
শেয়ার করুন

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এবার এসএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে ৪টি মাদ্রাসা থেকে কেউ পাস করেনি। ৪টি মাদ্রাসার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫২ জন।

রোববার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা গেছে। পাস না করা প্রতিষ্ঠান ও পরিক্ষার্থীর সংখ্যা হলো,হাজী আহমেদ আলী দাখিল মাদ্রাসা ১৩ জন, বগুড়া দাখিল মাদ্রাসা ১৫ জন,বড় কোয়ালীবেড় দাখিল মাদ্রাসা ১২ জন ও এলংজানী দাখিল মাদ্রাসা ১২।

আলহাজ্ব আহমদ আলী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ সেফায়েত উল্লাহ্ বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এমপিও হয় ১৯৯৮ সালে। প্রতি বছরই শিক্ষার্থীরা পাস করে। কিন্তু করোনার প্রভাব পরায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাস না করা এবং মেয়েদের বাল্যবিয়ে হওয়াতে কেউ পাস করতে পারেনি।

বড় কোয়ালিবেড় দাখিল মাদ্রাসার সুপার শফিক উদ্দিন বলেন,মাদ্রাসাটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরাই প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকে। যার ফলে এবার কেউ পাস করতে পারেনি।

এলংজানী দাখিল মাদ্রাসার সুপার শাহাদৎ হোসেন বলেন,ক্লাস না করার ফলে সবাই ফেল করেছে। আর এ কারনেই আমরা এখন লজ্জিত।

বগুড়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আতিকুর রহমান জানান,শিক্ষার্থীরা ঠিকমতে পড়াশনা না করার কারণে ফেল করেছে। পড়াশনার জন্য বার বার তাগিদ দিয়েও কাজ হলো না। সবাই ফেল করলো। প্রতিষ্ঠানের সুনাম আর থাকলো না।

উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ,কে,এম শামছুল হক বলেন,ফেল করা স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা বলেন , ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর