1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
২৭০ বার মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার কারাদণ্ড - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাজধানীতে টিসিবির পণ্য কেনার সময় দেয়াল ধস, নিহত ২ আরেকটি নতুন সিটি করপোরেশন হচ্ছে এনসিপির গাড়িবহরে ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ, সারজিসসহ আহত অনেক জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বাসার সামনে গল্প করছিল এইচএসসি পরীক্ষার্থী, হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি একতলা থেকে লাফিয়ে কোনো রকম বেঁচে ফিরেছি: স্নিগ্ধা চৌধুরী জ্বিনের মাধ্যমে স্বর্ণ দ্বিগুণ, চরফ্যাশনে প্রতারণা মামলায় ৪ জন আটক ঝিনাইগাতীতে গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের রাস্তা পরিদর্শন করলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী টানা বর্ষণে চরফ্যাশনের গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ! জুলাই পরবর্তী সময়ে বেরোবির গণিত বিভাগ নির্বাচনে প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা

২৭০ বার মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার কারাদণ্ড

আজকের কাগজবিডি অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২ ৩:১২ পিএম
শেয়ার করুন

নিজ মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে জার্মানির একটি আদালত ৭৫ বছর বয়সী এক বাবাকে সাড়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে মেয়েকে ২৭০ বার ধর্ষণের জন্য ওই বাবাকে দোষী সাব্যস্ত করে বুধবার এই রায় দেওয়া হয়।

যৌন নির্যাতনের শুরু কয়েক দশক আগে হলেও মামলাটি করা হয়েছিল শুধু সাম্প্রতিক করা অপরাধ নিয়ে। মেয়েটির বর্তমান বয়স ৫৫ বছর। সাত বছর বয়স থেকে তাকে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। নব্বইয়ের দশকে তিনি তার বাবার সন্তানের জন্ম দেন।

তবে ওই বাবা দাবি করেছেন, তিনি ‘কখনো তাকে ধর্ষণ করেননি।’ তাদের সম্পর্কে উভয়ের সম্মতি ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রসিকিউটররা জানান, শিশু হিসেবে নিজ মেয়েকে সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে হতাশাজনক ও অস্বাভাবিক এক পরিবেশে বন্দি রেখেছিলেন তার বাবা। আদালতের রায়ে বিচারক বলেন, ‘‘আপনি আপনার মেয়েকে একটি বদ্ধ অন্ধকার খাঁচায় বন্দি করে রেখেছিলেন। আপনি মেয়েটির জীবন নষ্ট করে দিয়েছেন।’’

প্রসিকিউটররা ১২ বছর কারাদণ্ড আশা করেছিলেন। তবে বুধবার দেওয়া রায়টি চূড়ান্ত নয়। এদিকে জার্মানির প্রচারমাধ্যম বায়ারিশা রুন্ডফুঙ্ক জানিয়েছে, অভিযুক্ত বাবা ইতালীয় নাগরিক।

সূত্র : ডয়চে ভেলে

এই বিভাগের আরো খবর