
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুড়িকৃবি) শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণে একসঙ্গে চারটি নতুন ইনস্টিটিউট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. রাসেদুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সীমিত শিক্ষক ও জনবল নিয়েই বর্তমানে ভাড়া ভবনে দুটি ফ্যাকাল্টির মাধ্যমে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে কুড়িকৃবি। স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকলেও গবেষণাভিত্তিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চালু হতে যাওয়া চারটি ইনস্টিটিউট হলো— চর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ফ্রেশওয়াটার ফিসারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ভেজিটেবলস অ্যান্ড ফ্রুটস রিসার্চ ইনস্টিটিউট।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ব্যবহারিক ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কৃষি খাতে আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিকাশের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সাউথইস্ট ব্যাংকের গবেষণা অনুদান এবং অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. রাসেদুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষক ও জনবল নিয়োগে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। পাশাপাশি স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ এখন আমাদের অগ্রাধিকার।”
এদিকে কুড়িকৃবির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে আজ (১০ মে) কুড়িগ্রামে আসছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি সদর উপজেলায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চারটি নতুন ইনস্টিটিউট চালুর মাধ্যমে কুড়িকৃবি গবেষণাভিত্তিক আধুনিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।