
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের পানিসংকট দূর হওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে আসবে বড় ধরনের পরিবর্তন—এমন মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদীতীরবর্তী এলাকায় সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানের “নতুন সুনামি”, বদলে যাবে পুরো অঞ্চলের চিত্র।
রোববার (১০ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার দাশেরহাটের ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ খাল পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “তিস্তা মহাপরিকল্পনা শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের মহাযাত্রা। পানি ব্যবস্থাপনা ঠিক হলে কৃষিতে আসবে বিপ্লব, মৎস্য ও সেচ খাতে তৈরি হবে নতুন সম্ভাবনা।”
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খননের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পানি সংরক্ষণের যে ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান উদ্যোগগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ত্রাণমন্ত্রী দাবি করেন, খাল পুনঃখনন কর্মসূচি জোরদার হলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি আসবে, কৃষকের উৎপাদন বাড়বে এবং অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
এ সময় তিনি কুড়িগ্রামের বহুল প্রত্যাশিত ধরলা ব্যারেজ বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধনের পর আয়োজিত সুধী সমাবেশে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ-এর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান এবং অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব।