1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কুবিতে কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উদ্যোগে হাফেজ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‎ - আজকের কাগজ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চুক্তি না হলে সামরিক বাহিনী হামলার জন্য ‘পুরোপুরি’ প্রস্তুত : ট্রাম্প দরপত্র জমা নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত-এনসিপির মারামারি কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)’র অভিযানে ৭২ লক্ষ টাকা মুল্যের ভারতীয় শাড়ি আটক মানবিক বিবেচনায় যুব মহিলা লীগ নেত্রীর জামিন এসএসসির প্রথম দিনে বহিষ্কার ৬ শিক্ষার্থী, ১ পরিদর্শক ট্রাইব্যুনালে ঘুষকাণ্ডে প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে প্রমাণ মিলেছে পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৬ কর্মকর্তাকে বদলি ‘বিশ্ব অর্থনীতিতে ফুটবল বিশ্বকাপের প্রভাব ৮০ বিলিয়ন ডলার’ পরীক্ষায় বাড়তি সুবিধা থেকে বঞ্চিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিতু জ্বালানি সংকটে অটোরিকশা ভালো সাপোর্ট দিচ্ছে : ডা. জাহেদ উর রহমান

কুবিতে কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উদ্যোগে হাফেজ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‎

কুবি প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬ ৮:৩০ পিএম
শেয়ার করুন

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসে পবিত্র কুরআন ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে বেগবান করার লক্ষ্যে কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উদ্যোগে ‘কিউসিএসসি ফেস্ট-১.০: হাফেজ-ই-কুরআন সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের হলরুমে রসায়ন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান মায়াজের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান হয়।

‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম। কী-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন ঢাকার গোপীবাগ রেলওয়ে ব্যারাক জামে মসজিদের খতিব আবুল হাসেম মোল্লা।

‎অনুষ্ঠানের শুরুতে হাফেজ শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, মাফলার পরিধান ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ক্লাবের নতুন সদস্য এবং অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির সদস্যদের ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।

‎কুবির আইন বিভাগের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাবিব উল্লাহ বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুরআন এন্ড কালচারাল ক্লাবকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো পরিবেশে এসে এমন সংবর্ধনা আসলে একরকম স্বপ্নের মতো। এমন পরিবেশে মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের অনেক সময় হীনমন্যতায় ভোগতে হয়। এ ধরনের প্রোগ্রাম আমাদের চলার পথে অনেক সহায়ক হবে বলে মনে করি।”

‎প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, “আপনারা যে পরিবেশ থেকে হাফেজ হয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন, বর্তমান পরিবেশে সেই হাফেজি গুণাবলি ধরে রাখতে পারবেন কি না সেটিই বড় চ্যালেঞ্জ। আপনি রোজা রাখছেন, নামাজ পড়ছেন, কিন্তু আল্লাহ আপনার এসব ইবাদত কবুল করেছেন কি না, তা নিশ্চিত নয়। তবে আপনি যে পাপ করেছেন, তা নিশ্চিত।
‎​যারা হাফেজ হয়েছেন, তাদের জন্য এই পরিবেশে কুরআনকে হৃদয়ে ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। মানুষ কে কী বলল, তা শোনা বা মানা আমল নয়, বরং আমার সৃষ্টিকর্তা আমার ওপর সন্তুষ্ট কি না, তা জানাই আসল কাজ। কারণ মৃত্যুর সাথে সাথেই মানুষের কিয়ামত শুরু হয়ে যায়। সেদিন পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ থাকবে না।”

‎কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ​”হাফেজ ছাত্রদের সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে যা উপলব্ধি করেছি, তার আলোকে বলতে পারি যে, মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত নেয়ামতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো কুরআনকে বুকে ধারণ করা বা মুখস্থ করা।
‎​আজ আমি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে, এমন কিছু ছাত্রের সামনে কথা বলছি যারা কেবল কুরআনকে হৃদয়াঙ্গম করেই ক্ষান্ত হননি, বরং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। নিঃসন্দেহে এটি একটি বড় প্রাপ্তি। বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ জন হাফেজে কুরআন পড়াশোনা করছেন।”

‎তিনি আরও বলেন, “​বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে একজন হাফেজের যে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, তা সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা উপলব্ধি করছেন, সেই প্রত্যাশা আমরা করি। অনেক হাফেজ আছেন, যারা নিয়মিত চর্চা না করার কারণে কুরআনকে পরিপূর্ণভাবে ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। তাই নিয়মিত কুরআন চর্চার জন্য আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট পূর্বপরিকল্পনা প্রয়োজন।”

‎কুরআন এন্ড কালচারাল স্টাডিজ ক্লাবের সভাপতি রিফাতুল ইসলাম বলেন, “ব্যস্ততার সময় মধ্য থেকেও আমাদের স্যারেরা এবং আমাদের প্রধান আলোচক সময় দিয়েছেন, সেজন্য আমরা কুরআন এন্ড কালচারাল স্টাডিজ ক্লাবের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা আশা করি, আমার যেন মহান আল্লাহ তায়লার কুরআনের বাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে দিতে পারি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে আমারা প্রত্যাশা জানাই যেন আমাদের ক্লাবটিকে অতিদ্রুত নিবন্ধন দেওয়া হয়।”

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *