
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে খোদেজা আক্তার (৪৬) নামে এক প্রবাসীর মাকে গলায় ও হাতে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মো: শাহীন (৪০) নামে এক রংমিস্ত্রি কে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার ভোরারাতে উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের ঝিকড্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভিকটিম খোদেজা বেগম গুনবতী ইউনিয়নের ঝিকড্ডা গ্রামের মৃত মুছা কলিম উল্লার স্ত্রী। হামলাকারী শাহিন একই গ্রামের পাশ্ববর্তী বাড়ির মৃত ছায়েদুল হক ছুট্ট মিয়ার ছেলে।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন জানান, গলায় ও হাতে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত মহিলাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরে আশংকা জনক অবস্হায় ঢাকার একটি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের মেয়ে লিমা আক্তার বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , খোদেজা বেগমের নতুন বিল্ডিং ঘরের রংয়ের কাজ করতেন হামলাকারী শাহিন। খোদেজা বেগমের একমাত্র ছেলে সোহাগ সৌদি প্রবাসী এবং একমাত্র মেয়ে লিমা আক্তার স্বামীর বাড়ী তারাশাইলে অবস্থান করছেন। একমাত্র মহিলা ব্যতিত ঘরে আর কেউ না থাকায় মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৩.৩০ ঘটিকায় চুরি করার উদ্দেশ্যে বিল্ডিং ঘরে প্রবেশ করে রংমিস্ত্রি শাহিন। মধ্যরাতে চিৎকার শুনে বাড়ির আশেপাশের লোকজন এসে খোদেজা বেগমকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশকে মোবাইল ফোনে দেয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশংকাজনক অবস্হায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রেরন করে।
সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ঢাকা একটি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান, ঘটনাটি শুনে আমি তাৎক্ষনিক পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। ভিকটিম তখনো ক্ষীন স্বরে হামলাকারীরর নাম পিতার নাম বলতে পারছিলো। হামলাকারীর নাম শাহীন (৪০), পিতা মৃত ছায়েদুল হক ছুট্ট মিয়া, সে পেশায় রং মিস্ত্রি। তাকে তাৎক্ষণিক তার বসতঘর থেকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরন করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।