1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
জামায়াতে ইসলামী নিজেদের ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ হিসেবে মেনে নিয়েছে: আইনমন্ত্রী - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নারায়ণগ‌ঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে লুট হওয়া পিস্তল ও গুলি উদ্ধার অপরাধীরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন কৌশল গ্রহণ করছে: আইজিপি বৃষ্টি নিয়ে দুঃসংবাদ জানাল আবহাওয়া অফিস মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে সংসদে প্রস্তাব উত্থাপনের আহ্বান রুমিন ফারহানার ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে অস্ত্র হাতে ছবি পোস্ট ট্রাম্পের শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন হত্যার ঘটনায় মামলা ভোজ্যতেলের দাম লিটার প্রতি ৪ টাকা বেড়েছে ঢাকাকে ‘ক্লিন-গ্রিন সিটি’ গড়তে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী বাড়াবাড়ি করলে বলবো তোরা ‘রাজাকার-আলশামস-আলবদর’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জামায়াতে ইসলামী নিজেদের ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ হিসেবে মেনে নিয়েছে: আইনমন্ত্রী

জামায়াতে ইসলামী নিজেদের ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ হিসেবে মেনে নিয়েছে: আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ৭:২৯ পিএম
শেয়ার করুন

জামায়াতে ইসলামী কার্যত নিজেদের ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ হিসেবে মেনে নিয়েছে বলে দাবি করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সংসদের চলতি অধিবেশনে পাস হওয়া সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনের বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞার উদ্ধৃতি দিয়ে আইনমন্ত্রী এমন দাবি করেন।

আজ বুধবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০২৬-এ নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সংশোধনীতে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর—তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী, তৎকালীন নেজামে ইসলামী এবং আলবদর, আলশামস বাহিনী ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের যে সমস্ত দামাল ছেলে, যাঁরা সংগ্রাম করেছেন, তাঁদের বীর মুক্তিযোদ্ধা… আইন এই সংসদে পাস হয়েছে। সেই আইনে জামায়াতে ইসলামী কার্যত বিরোধিতা করেনি। এনসিপির পক্ষ থেকে লিখিতভাবে অনুসমর্থন জানানো হয়েছে। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

আইনমন্ত্রী আরও যোগ করে বলেন, বাই অপারেশন অব ল অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন, তাহলে এটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল যে—১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে কারা বিরোধিতা করেছিল, কারা খুন, গুম ও ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত ছিল, কারা বাংলাদেশের অসংখ্য ও অগণিত মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিল।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই বাংলাদেশে যে সংসদ গঠিত হয়েছে, সেই সংসদ আগামী দিনে এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যে বাংলাদেশ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মধ্য দিয়ে অর্জিত এবং ৯০-এর গণ-অভ্যুত্থান ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে পারি।’

আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্বের দেশে দেশে দেখেছি, বিপ্লবের পরে অভ্যুত্থানের চেতনায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি সমঝোতা হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করলাম—গতকাল (মঙ্গলবার) জাতীয় সংসদে একটি লিফলেট পেলাম, সেখানে তাঁরা ১১ দলীয় পক্ষ থেকে লিখেছেন—বিরোধী দল কেন সংস্কার চায়; সেখানে কয়েকটি পয়েন্ট দিয়েছেন। সেই পয়েন্টের কোথাও জুলাই সনদের কথা নেই। সেখানে বলা হয়েছে গণভোটের কথা। ৩৩ দলের স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের নাম-চিহ্ন তাতে নেই।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এই সংসদে আমাদের দেশের উন্নতি ও ভবিষ্যৎ তৈরি নিয়ে বলতে চাই, কিন্তু আমরা কথা বলছি গণভোটের চারটি প্রশ্ন নিয়ে।’

গণভোটের চারটি প্রশ্নের মধ্যে ‘সাড়ে তিনটার’ বিষয়ে বিএনপির কোনো আপত্তি ছিল না দাবি করে মন্ত্রী বলেন, বাকি আধা প্রশ্নটি হলো আধা প্রেম, আধা প্রতারণা।

জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘নির্বাচনের সময় যখন ভোট চাইতে গেছি, তখন শুনেছি—বেহেশতের টিকিট নাকি কেউ বিক্রি করেছে। নিজ কানে শুনেছি। …আর যদি ভুয়া হয়ে থাকে, তাহলে স্বীকার করছেন তাঁরা বেহেশতের টিকিটের ধারক নন। এই সংসদ মাঝে মাঝে অনাহূত নির্জীব হয়ে গিয়েছিল। মাঝে মাঝে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই তাঁরা বয়কট করেছেন, উত্তেজনা সৃষ্টি করেছেন।’

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *