1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
মধ্যনগরে ৯ হাজার হেক্টর জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা - আজকের কাগজ
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাতে স্ত্রীর কাছে ফোনে টাকা দাবি, সকালে হোটেলে মিলল শিক্ষকের লাশ ‘আমার সুইটিরে আইনা দ্যাও, আমি ওরে দেহুম’ পুলিশের ওপর হামলা করে ২৮ মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, আহত এএসআই ‘সুপারভাইজার বাস চালাচ্ছিলেন’, ওভারটেক করতে গিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১৪ এবার নাতির অস্ত্রের আঘাতে দাদার ক্ষতবিক্ষত লাশ! আটক নাতি নিখোঁজের ২৪ দিন পর শালবনে মিলল নিহত কিশোরের দেহাবশেষ, গ্রেপ্তার ২ চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশিকে নিয়ে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে নেশার টাকা না দেওয়ায় পাবনায় মাকে জবাই করে হত্যা, ছেলে আটক জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি: ডা. শফিকুর রহমান

মধ্যনগরে ৯ হাজার হেক্টর জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৮:৩১ পিএম
শেয়ার করুন

টাঙ্গুয়ার হাওরের নজরখালী ও নাওটানা ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ করা না হলে সর্বস্বান্ত হতে হবে স্থানীয় কৃষকদের। এমন বার্তা দিয়ে ওই দুটি বাঁধের কাজের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশী এই অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকরা। বোরো চাষিদের শঙ্কা–এবার হয়তো জলে ভাসবে হাজারো কৃষকের সোনার ফসল। সে ক্ষেত্রে গোটা অঞ্চল ব্যাপক খাদ্য ও অর্থ সংকটে পড়বে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) তাহিরপুর উপজেলায় হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণে ৮৮টি প্রকল্পের বিপরীতে ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। তবে অনুমোদিত তালিকায় নজরখালী বাঁধ অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ৮২টি গ্রামের কৃষকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান আগাম বন্যার ঝুঁকিতে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, টাঙ্গুয়ার হাওর জলাভূমি হিসেবে ঘোষিত হওয়ায় সরকারি উদ্যোগে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। তবে প্রতি বছর প্রশাসনের পক্ষ থেকে থোক বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেই অর্থ ও কৃষকদের স্বেচ্ছাশ্রমে উত্তর ও দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নে অস্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এ বছরও দ্রুত থোক বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
কৃষকদের আশঙ্কা, নজরখালী বাঁধ না থাকলে গনিয়াকুরি, এরালিয়াকুনা, নান্দিয়া, রাঙামাটিয়া, ফলিয়ার বিল, সামসাগর, রুপাভূই, লামারবিল, সোনাডুবি, করছরি, লুঙ্গাতুঙ্গা, শালদিগা, হানিয়া কলমা ও মুক্তারখলা হাওরসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল পানিতে ডুবে যাবে।
মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের রংচি গ্রামের কৃষক মুহাম্মদ আলী বলেন, নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হলে উত্তর ও দক্ষিণ বংশীকুন্ডা এই দুই ইউনিয়নের সব বোরো ধান আগাম বন্যায় ভেসে যাবে। বহু বছর ধরেই প্রশাসন এ বাঁধের কাজ করেছে। কিন্তু গত তিন বছর ধরে জেলা প্রশাসন টাঙ্গুয়ার হাওরকে জলাভূমির সনদ দেওয়ার কারণে বাঁধ নির্মাণে উদ্যোগ নিচ্ছে না।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মধ্যনগর উপজেলার রংচি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালাম জানান, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন কেন কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থি কাজ করছে বিষয়টি পরিষ্কার নয়। এখানে কী চলছে তা জানা দরকার। তিনি আরও বলেন, নজরখালী বাঁধের ভেতরে ৮০ ভাগ জমিই পড়েছে মধ্যনগর উপজেলার উত্তর বংশীকুণ্ডা ইউনিয়ন ও দক্ষিণ বংশীকুণ্ডা ইউনিয়নের কৃষকদের। টাঙ্গুয়ার হাওরপারের ৮২ গ্রামের কৃষকদের দাবি, নজরখালী বাঁধটি নির্মাণের।
এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক বলেন, নজরখালী বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ জানায়নি। বিষয়টি জানালে সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর