1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
যুবকের খণ্ডিত মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটনের পর এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ - আজকের কাগজ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চুক্তি না হলে সামরিক বাহিনী হামলার জন্য ‘পুরোপুরি’ প্রস্তুত : ট্রাম্প দরপত্র জমা নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত-এনসিপির মারামারি কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)’র অভিযানে ৭২ লক্ষ টাকা মুল্যের ভারতীয় শাড়ি আটক মানবিক বিবেচনায় যুব মহিলা লীগ নেত্রীর জামিন এসএসসির প্রথম দিনে বহিষ্কার ৬ শিক্ষার্থী, ১ পরিদর্শক ট্রাইব্যুনালে ঘুষকাণ্ডে প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে প্রমাণ মিলেছে পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৬ কর্মকর্তাকে বদলি ‘বিশ্ব অর্থনীতিতে ফুটবল বিশ্বকাপের প্রভাব ৮০ বিলিয়ন ডলার’ পরীক্ষায় বাড়তি সুবিধা থেকে বঞ্চিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিতু জ্বালানি সংকটে অটোরিকশা ভালো সাপোর্ট দিচ্ছে : ডা. জাহেদ উর রহমান

যুবকের খণ্ডিত মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটনের পর এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

চট্টগ্রাম ব্যুরো
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬ ৭:৩৯ পিএম
শেয়ার করুন

নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন শহীদ নগর ও আশপাশের এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া এক যুবকের খণ্ডিত মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার মূল অভিযুক্ত হিসেবে সুফিয়া আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সুফিয়া আক্তারের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নিহত ব্যক্তির নাম মো. আনিছ (৩৮)। তিনি রাউজান উপজেলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চিকদাইর এলাকার বাসিন্দা।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম জানান, গত ২০ জানুয়ারি রাতে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন শহীদ নগরের চারতলার মোড় এলাকায় একটি কালো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় মানুষের দুটি কাটা হাত উদ্ধার করা হয়। পরে তদন্তের ধারাবাহিকতায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

নিহত আনিছ ২০ জানুয়ারি থেকেই নিখোঁজ ছিলেন বলে তার পরিবার পুলিশকে জানায়।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধারে তৎপরতা বাড়ায়। তদন্তের একপর্যায়ে গত ২২ জানুয়ারি ভোরে শহীদ নগর এলাকা থেকে সুফিয়া আক্তারকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের শরীরের বিভিন্ন খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সুফিয়া আক্তার জানান, নিহত আনিছের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই তিনি হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পুলিশ জানায়, ২০ জানুয়ারি বিকেলে পাঠানপাড়ার একটি বাসায় ডেকে এনে আনিছকে পাটার শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর লাশ গোপন করতে মরদেহ টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *