1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
শূকরের কিডনিতে রেকর্ড ৯ মাস বাঁচলেন রোগী - আজকের কাগজ
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চালকাণ্ড: আটক ১০২ বস্তা চালের মালিক কে? ব্রিকসে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে ভারতের কাছে তথ্য নেই: জয়সোয়াল প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় মারা গেলেন আহত সেই পথচারী নারী রাজপথে হুমকি নয়, সংসদে গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন কক্সবাজারে হোটেল থেকে ৬ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার, দুই হাজার আইফোন উদ্ধার বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ শূকরের কিডনিতে রেকর্ড ৯ মাস বাঁচলেন রোগী কুইক রেন্টাল দুর্নীতির তদন্ত হওয়া উচিত: বিইআরসি চেয়ারম্যান মরা গরু জবাইয়ের অভিযোগ, মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁয় র‍্যালী ও আলোচনা সভা

শূকরের কিডনিতে রেকর্ড ৯ মাস বাঁচলেন রোগী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৪ পিএম
শেয়ার করুন

চিকিৎসাবিজ্ঞান এক অসাধ্য সাধন করে দেখাল। মানবদেহে অঙ্গ না পাওয়ার মহামারি সামলাতে একটি বিশাল সাফল্যের গল্প তৈরি হয়েছে। জিনগতভাবে পরিবর্তন করা একটি শূকরের কিডনি এক ব্যক্তির শরীরে টানা ৯ মাস সফলভাবে কাজ করেছে, যা রোগীকে ডায়ালাইসিসের হাত থেকে বাঁচিয়ে রেখেছিল।

সবচেয়ে আশার কথা হলো, শূকরের কিডনিটি সাময়িকভাবে ব্যবহার করার পর রোগী সুস্থ শরীরে একটি তাজা মানব কিডনিও পেয়ে গেছেন।

গল্পের নায়ক ৬৬ বছর বয়সি এক প্রবীণ মানুষ। টাইপ-টু ডায়াবেটিসের কারণে তার দুটি কিডনিই একদম নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। টানা দুই বছর ধরে সপ্তাহে সপ্তাহে রক্ত ছেঁকে ডায়ালাইসিস নিয়ে তিনি কোনোমতে বেঁচে ছিলেন।

কোনো জীবিত স্বজন তাকে কিডনি দেওয়ার মতো ছিলেন না। আর সরকারি দীর্ঘ তালিকায় নাম লিখিয়ে মানুষের কিডনি পেতে পেতে তার হয়তো ৫ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেত। চিকিৎসকদের বিশেষ হিসাব বলছিল, কিডনি না পেয়ে তার মারা যাওয়ার কিংবা তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঝুঁকি ছিল ৪০ শতাংশের বেশি!

এই কঠিন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা এক সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। গত ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তার শরীরে বসানো হয় একটি শূকরের কিডনি। তবে এটি কোনো সাধারণ পশুর কিডনি ছিল না; মানুষের শরীরের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য এর জিনে ৬৯টি পরিবর্তন আনা হয়েছিল।

শরীরে বসানোর সাথে সাথেই কিডনিটি কাজ করা শুরু করে। রোগী দীর্ঘ ৯ মাস বা ২৭১ দিন কোনো ডায়ালাইসিস ছাড়াই একদম স্বাভাবিক জীবন কাটান।

নয় মাস পর যখন পশুর তৈরি সেই কিডনিটি ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা হারাতে শুরু করে, চিকিৎসকরা তা বের করে নেন। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, এত দিন পশুর অঙ্গ শরীরে থাকার পরও তার রক্তে কোনো বিষাক্ত ইনফেকশন ছড়ায়নি বা মানুষের টিস্যু গ্রহণে বাধা তৈরি করার মতো কোনো প্রতিকূলতা দেখা দেয়নি।

ঠিক সেই সময়েই অলৌকিকভাবে একজন মৃত দাতার সাথে তার শরীরের টিস্যু প্রায় শতভাগ মিলে যায় এবং চিকিৎসকরা সেখানে সফলভাবে একটি সত্যিকারের মানব কিডনি বসিয়ে দেন।

বিজ্ঞানীরা এই সাফল্যকে বলছেন অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ইতিহাসে এক ‘বিকল্প সেতু’। অঙ্গের চরম সংকটের এই যুগে, মানুষের কিডনি পাওয়ার আগ পর্যন্ত ডায়ালাইসিসের যাতনা থেকে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখতে পশুদের অঙ্গ সাময়িক রক্ষাকবচ হতে পারে। এই একটি ঘটনা অন্তত লক্ষ লক্ষ কিডনি রোগীর মনে নতুন করে বেঁচে থাকার আলো জ্বালিয়ে দিল।

সূত্র: ইউরো নিউজ।

এই বিভাগের আরো খবর