
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে আজ ৩ ফেব্রুয়ারি রাঙ্গুনিয়া আদর্শ বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সম্পুর্ন প্রস্তুত রয়েছে। ভোটগ্রহণকালীন সময়ে বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এক্ষেত্রে সকলকে সতর্ক করে তিনি বলেন ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে অবৈধ হস্তক্ষেপ করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি কেবল একটি নির্বাচন নয়; এটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও কাঠামোগত সংস্কারের একটি রূপরেখা তৈরি হবে।’ তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো ভোটগ্রহণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা। এ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ পরীক্ষায় আমাদের উত্তীর্ণ হতে হবে।
ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কারো ব্যক্তিগত পছন্দ বা অনুভূতি থাকতে পারে, তবে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার পর তা প্রকাশের সুযোগ নেই। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার দায় নির্বাচন কমিশন নেবে না—প্রত্যেককে নিজ নিজ বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মোট ৯২টি ভোটকেন্দ্রের জন্য এ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে ৯২ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৭১০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ২২০ জন পোলিং অফিসার অংশ নেন। প্রশিক্ষণে ভোটগ্রহণ–সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা, ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, গণভোট পরিচালনার পদ্ধতি, ভোটার সহায়তা এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলার বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।
Leave a Reply