
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হরনী ইউনিয়ন পরিষদ সচিব নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও হয়রানির অভিযোগে স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে।এসব অভিযোগের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী গ্রামবাসীর উদ্যোগে
শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হরনী ইউনিয়ন বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমায়েত ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন— দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সচিব নজরুল ইসলাম সরকারি সেবার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, নথি-পত্র আটকে রাখা, ইচ্ছাকৃতভাবে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ানোসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন।
সেবা নিতে গেলে অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য করা হয়; না দিলে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ফাইল আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয়দের দাবি— এসব ঘটনা নিয়ে বহুবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, ফলে দুর্নীতির মাত্রা দিনদিন বেড়েই চলেছে।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন— “ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের দুর্নীতি আজ চরমে পৌঁছেছে। অবিলম্বে তাকে অপসারণ না করলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যাব।” তারা দ্রুত তদন্ত, দায়ীদের শাস্তি এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিষেবা নিশ্চিতের দাবি জানান।
মানববন্ধনে নারী-পুরুষসহ তিন শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দার উপস্থিতি প্রমাণ করে— হরনী ইউনিয়নে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনরোষ চরমে পৌঁছেছে। এলাকার সাধারণ মানুষ আশাবাদী যে, দ্রুত তদন্ত ও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা অব্যাহত হয়রানি ও দুর্নীতির শিকার হওয়া থেকে মুক্তি পাবে।
Leave a Reply