
পৃথিবীর সকল নেক আমলের মধ্যে হজ্ব অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হজ্ব পালনকারী ব্যক্তি গুনাহমুক্ত হয়ে নবজাতকের মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসেন। কবুল হজ্বের পুরস্কার হচ্ছে জান্নাত। তবে সঠিক জ্ঞান ও প্রস্তুতি ছাড়া হজ্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত সঠিকভাবে পালন করা কঠিন। নিয়মনীতি উপেক্ষা করে হজ্ব সম্পাদন করলে হজ্বের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়।
এই গুরুত্ব অনুধাবন করে হাতিয়ায় আয়োজন করা হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালা। শনিবার (১৭ মে) সকাল ১০টায় হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজ ও উপজেলা জামে মসজিদের মাঠে এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন ৭৯ জন নিবন্ধিত হজ্বযাত্রী ও ৪৫ জন ওমরাহযাত্রী, এছাড়াও স্থানীয় আলেম-ওলামাগণও কর্মশালায় অংশ নেন।
আয়োজন ও প্রশিক্ষণ এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে আরাফাত হজ্ব ট্রাভেলস। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হাজী আবদুর রহিমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মূল প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন ইসলামিয়া মাদ্রাসার মুহতারিম মাওলানা মুফতি মোস্তফা আল কাশেমী, খাসের হাট জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা নিজাম উদ্দিন, এবং মাওলানা সামছুল হুদা।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের হজ্বের ফরজ, সুন্নত, ওয়াজিব ও মুস্তাহাব বিষয়সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি ইহরাম পরিধান, তালবিয়া পাঠ, তাওয়াফ, সাঈ, আরাফায় অবস্থান, মুজদালিফা ও মিনা সফর, শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও কুরবানিসহ প্রতিটি হজ্ব আমলের বাস্তবভিত্তিক প্রতিকৃতি স্থাপন করে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
আয়োজকের বক্তব্য হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজক হাজী আবদুর রহিম বলেন, “অতীতে হজ্ব প্রশিক্ষণ কেবল একটি কক্ষে ব্রিফিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু আমরা এবার বড় পরিসরে মাঠে প্রতিকৃতি স্থাপনের মাধ্যমে হাজীদের হজ্বের করণীয় বিষয়গুলো বাস্তবে অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছি। এতে হাজীরা হজ্বের প্রতিটি আমল সঠিকভাবে পালন করতে সক্ষম হবেন।
এই প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে এবং অংশগ্রহণকারীরা এ ধরনের আয়োজনকে কার্যকর ও সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেছেন।
প্রয়োজনে এটি আপনার নামে প্রকাশযোগ্য নিউজ রিপোর্ট হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। অন্য কোনো সংশোধন বা ফরম্যাট দরকার হলে জানাতে পারেন।