
নোয়াখালীর হাতিয়ায় অবৈধ মৎস্য আহরণ রোধে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ৩৫টি নিষিদ্ধ বিহুন্দী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। এ অভিযানে নদী ও উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার চরচেঙ্গা থেকে জাহাজমারা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ নদী ও উপকূলীয় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে ক্ষেত্রসহকারী গোলাম মহি উদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ঘোষিত মোট ৩৫টি বিহুন্দী জাল জব্দ করা হয়। এসব জাল দীর্ঘদিন ধরে নদীতে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ব্যাহত করছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। পরে জব্দ করা জালগুলো তমরদ্দি কোস্টগার্ড পল্টনে নিয়ে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিহুন্দী জাল ব্যবহারের ফলে ছোট মাছ ও পোনা নির্বিচারে ধরা পড়ে, যা দেশের মৎস্য সম্পদের জন্য বড় হুমকি। এ কারণে সরকার এ ধরনের জাল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ জাল ব্যবহারকারীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা, মাছের প্রজনন নিশ্চিত করা এবং নদী-উপকূলীয় পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জেলেদের সচেতন করতে প্রচারণা কার্যক্রমও জোরদার করা হবে।
তারা আরও জানান, অবৈধ জাল ব্যবহারকারী ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply