1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানোর ঘটনার মামলার তদন্ত শেষ - আজকের কাগজ
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
উত্তরার বার থেকে যেভাবে মিরপুর গেলেন ‘অচেতন’ তরুণী গোসলে নেমে পাঁচ বোনের মৃত্যু ‘আমি সন্তানদের বাবাকে কী সান্ত্বনা দেব’ আইন পেশায় সফল হতে অর্থের পেছনে না ছুটে দক্ষতা অর্জন করতে হবে : আইনমন্ত্রী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এআইয়ের ব্যবহার বেড়েছে ৮৬ শতাংশ কেউ শিক্ষা-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নওগাঁয় আত্রাই নদীর পানি থেকে খেয়া জালে উঠে এলো দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃতদেহ ৩১ অ্যাপে লেনদেন না করতে সতর্কবার্তা অস্ত্র-মাদক নিয়ে বাংলাদেশে ভারতীয় চক্র, বিজিবির অভিযানে গ্রেফতার ১ হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু একেক দেশের একেক সংখ্যা, নেপাল তিব্বত সীমান্তে নিখোঁজদের তালিকায় কারা

আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানোর ঘটনার মামলার তদন্ত শেষ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫ ২:৪৬ পিএম
শেয়ার করুন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সাভারের আশুলিয়ায় ছয়টি লাশ পোড়ানোর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন হাতে এসেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

আজ রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘একটি মামলার (আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর) তদন্ত রিপোর্ট আমাদের হাতে চলে এসেছে। এছাড়া বাকি তিন থেকে চারটি মামলার তদন্ত ফিনিশিং টাচ চলছে। আশা করি ঈদের পর পরই এই রিপোর্টগুলো আমাদের হাতে চলে আসবে। রিপোর্টগুলো আসার সাথে সাথেই আমরা পর্যালোচনা করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করে ফেলবো। চার্জ গঠনের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে।’

লাশ পোড়ানোর নৃশংস ঘটনার বিষয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বলেন, ‘৫ আগস্ট আশুলিয়ায় ছয় তরুণকে গুলি করে হত্যার পর পুলিশ ভ্যানে রেখে আগুন লাগিয়ে দেন পুলিশ সদস্যরা। যখন এসব মরদেহে আগুন দেওয়া হচ্ছিল, তখন একজন জীবিত ছিলেন। জীবিত থাকা অবস্থায় তার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়া হয়।’

লাশ পোড়ানোর ঘটনায় গত ১১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দুটি অভিযোগ করা হয়। দুটি অভিযোগই অভিন্ন হওয়ায় একটি মামলা হয়। এ মামলায় গত ২৪ ডিসেম্বর স্থানীয় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ মামলায় সাইফুল ইসলাম পলাতক থাকলেও ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, তৎকালীন ওসি এ এফ এম সায়েদ, ডিবি পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক ও কনস্টেবল মুকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আন্দোলন শুরু করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের এক রায়কে কেন্দ্র করে ফুসে উঠে ছাত্র জনতা। এ আন্দোলন নির্মূলে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে হত্যা গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অপরাধ সংগঠিত করে। টানা ৩৬ দিনের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন হয়। আন্দোলন নির্মূলে পরিচালিত মানবতা বিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচার অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

এই বিভাগের আরো খবর