1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
সুনামগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচনী মাঠে লড়াই - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নতুন মামলায় ইরানি নির্মাতা জাফর পানাহিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সব ম্যাচ জয়ের ছক কষছেন কোচ ডুলি বাংলাদেশ-জাপান ৬টি চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা মোশাররফ ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব বিএফআইইউর উখিয়ায় নলকূপের গ্যাসে আগুন, ৪০ ঘণ্টাতেও অধরা নিয়ন্ত্রণ জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখলে টেন্ডার বাজি-চাঁদাবাজি করা যাবে না: জাবের উৎপাদন খরচের চেয়ে দুধ-মাংসের বাজারমূল্য অনেক বেশি, সংসদীয় কমিটির নজরদারি গুম প্রতিরোধে সংবিধানে নতুন কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি, কুড়িগ্রাম-উলিপুরে জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভ ছাগলনাইয়ায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকন্যাকে জিম্মি করে সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচনী মাঠে লড়াই

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ৭:৪৩ পিএম
শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচনী মাঠে জমজমাট লড়াই, আলোচনায় বিএনপি-জামায়াত ও উদীয়মান ইসলামি নেতৃত্ব। সুনামগঞ্জ-৫ আসন—শিল্পনগরী ছাতক ও সীমান্তবর্তী দোয়ারাবাজার সহ ২টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা হিসেবে সুপরিচিত । স্বাধীনতার পর থেকে এ আসনে পালাবদল হয়েছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন, কারণ রাজপথে সক্রিয় ও মাঠে জনপ্রিয় কয়েকজন প্রার্থীর উপস্থিতিতে ভোটযুদ্ধে জমে উঠেছে।
বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এবং একই কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী। উভয়েই ছাতকের বাসিন্দা। কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এর আগেও তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, আর মিজানুর রহমান চৌধুরী ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং একবার ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এবার এই দুই নেতার একজনকে মনোনয়ন দিলে অন্যজন স্বতন্ত্র হয়ে মাঠে থাকতে পারেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
এদিকে, বিএনপির ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটিতে অবস্থান নিতে মরিয়া জামায়াতে ইসলামি। ৫ আগস্টের পর থেকে সংগঠন গোছানো, সভা-সমাবেশ, গণসংযোগসহ সবধরনের তৎপরতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে তারা। ছাতকের বাসিন্দা মাওলানা আবদুস সালাম আল মাদানী জামায়াতের একক প্রার্থী হিসেবে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে, তরুণদের মধ্যে ব্যতিক্রমী জনপ্রিয়তা পাওয়া এক নেতা মাওলানা সাদিক সালীমও আলোচনার কেন্দ্রে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত রিকশা মার্কার প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ করছেন মাওলানা সাদিক সালীম। তিনি ইসলামী অঙ্গনে সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে তার রয়েছে দেশব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা। ধারণা করা হচ্ছে, আগামীতে ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর একটি সমন্বিত নেতৃত্বে তিনিই এগিয়ে থাকতে পারেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে প্রার্থী হয়েছেন ছাতক উপজেলা শাখার সহ-সেক্রেটারি মাওলানা আলী আকবর। ইসলামি আলোচক হিসেবে স্থানীয়ভাবে তিনি পরিচিত এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডে তাঁর তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এ ছাড়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে লন্ডনপ্রবাসী কমিউনিটি নেতা মাওলানা লুৎফর রহমান বিননুরী এবং খেলাফত মজলিস থেকে প্রবাসী নেতা মাওলানা আব্দুল কাদির প্রার্থী হবেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম, যিনি ছাতকের জাবা মেডিকেল সেন্টারের চেয়ারম্যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সমাজসেবামূলক কাজ ও গণসংযোগের মাধ্যমে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
তবে এখনও পর্যন্ত মাঠে দেখা যাচ্ছে না গণ-অধিকার পরিষদ, এবি পার্টি কিংবা এনসিপির কোনো নেতাকে। ভোটারদের ভাষ্যমতে, এই দলগুলো সাংগঠনিকভাবে ছাতক ও দোয়ারাবাজারে একেবারেই নিষ্ক্রিয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে জনগণ প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এবার তারা মুক্ত পরিবেশে সৎ, সাহসী ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীকে ভোট দিতে চান। বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা দুর্নীতিগ্রস্ত, দখলদার বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনো প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার ব্যাপারে বেশ সচেতন।
সামনের নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে যেমন প্রত্যাশা, তেমনি প্রার্থীদের ভেতরে দেখা যাচ্ছে নতুন করে জনসম্পৃক্ততা তৈরির প্রতিযোগিতা—যা সুনামগঞ্জ-৫ আসন এখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে, নেতৃত্ব রদবদলের পালা। এদিকে বিভিন্ন সময়ে সমাবেশ ও পথসভায় দেখা যাচ্ছে কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন। অপর দিকে মিজানুর রহমানকে দেখা যাচ্ছে। বিএনপির কে হবে ধানের শীষের প্রার্থী এই নিয়ে জনগণের মনে রয়েছে সংশয়। তারেই ধারাবাহিকতায় চলছে নিজেদের উপস্থাপনা। জনগণ স্বচ্ছ নেতাদের মুল্যয়ন করতে চান।

এই বিভাগের আরো খবর