1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কুড়িগ্রামের কালজানি গ্রাসে শতাধিক বসতভিটা বিলীন - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নতুন মামলায় ইরানি নির্মাতা জাফর পানাহিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সব ম্যাচ জয়ের ছক কষছেন কোচ ডুলি বাংলাদেশ-জাপান ৬টি চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা মোশাররফ ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব বিএফআইইউর উখিয়ায় নলকূপের গ্যাসে আগুন, ৪০ ঘণ্টাতেও অধরা নিয়ন্ত্রণ জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখলে টেন্ডার বাজি-চাঁদাবাজি করা যাবে না: জাবের উৎপাদন খরচের চেয়ে দুধ-মাংসের বাজারমূল্য অনেক বেশি, সংসদীয় কমিটির নজরদারি গুম প্রতিরোধে সংবিধানে নতুন কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি, কুড়িগ্রাম-উলিপুরে জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভ ছাগলনাইয়ায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকন্যাকে জিম্মি করে সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়

কুড়িগ্রামের কালজানি গ্রাসে শতাধিক বসতভিটা বিলীন

মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬ ৯:৩৯ পিএম
শেয়ার করুন

ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুরি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গা ও দক্ষিণ ধলডাঙ্গা গ্রামে কালজানি নদীর ভয়াবহ ভাঙনে গত তিন দিনে শতাধিক পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর ধলডাঙ্গা এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ মিটার এবং দক্ষিণ ধলডাঙ্গায় প্রায় ১ হাজার ৬০ মিটার এলাকাজুড়ে তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এতে উত্তর ধলডাঙ্গায় ৭০টি এবং দক্ষিণ ধলডাঙ্গায় ৩০টি পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছে। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
শিলখুরি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন জানান, গত এক বছরে কালজানি নদী বাম তীরের দিকে প্রায় ১০০ মিটার পর্যন্ত ভেতরে প্রবেশ করেছে। এতে প্রায় এক হাজার পরিবার বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র চলে গেছে। বর্তমানে উত্তর ধলডাঙ্গা উচ্চবিদ্যালয় ও স্থানীয় বউবাজারও ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
ভাঙনকবলিত এলাকাবাসী জানান, প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, ফলে তারা চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আনসার আলী বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা প্রতিনিয়ত ভাঙনরোধে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।
এদিকে শনিবার (৬ জুন) বিকেলে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথসহ প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক দ্রুত ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, রোববার থেকে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে ২ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হবে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভাঙন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা দ্রুত কার্যকর ভাঙনরোধ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।

এই বিভাগের আরো খবর