1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
মেসিদের জন্য আনা হয়েছে ৫০০ কেজি গরুর মাংস! - আজকের কাগজ
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চৌদ্দগ্রামে কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট: চান্দিশকরাকে হারিয়ে ফাইনালে আইকনিক-৮ রিয়াদ-দাম্মাম রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ১০ শতাংশ গ্যাস সাশ্রয়ের আহ্বান ইরানের স্পিকার গালিবাফের সরকারি-বেসরকারি ওয়েবসাইটে পিএইচপি নিরাপত্তার ঝুঁকি, ফের সতর্কতা কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে ৬১ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য ও মাদক জব্দ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: দূতাবাসের ব্যর্থতা থাকলে ব্যবস্থার সুপারিশ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণ বিমানের সংঘর্ষে চার পাইলট নিহত সাংবাদিকদের পেটানোর হুমকি, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসিকে আইনি নোটিশ ‎লক্ষ্মীপুর মাদ্রাসায় ছাত্রকে যৌন নিপড়ীন, শিক্ষক কারাগারে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ২৭ পুলিশ সদস্য কারাগারে, কঠোর বার্তা আইজিপির

মেসিদের জন্য আনা হয়েছে ৫০০ কেজি গরুর মাংস!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬ ৮:৫৮ পিএম
শেয়ার করুন

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই শুধু মাঠের লড়াই আর কৌশল আর গোলবন্যা নয়; বিশ্বমঞ্চে মাঠ মাতাতে ফুটবলারদের ডায়েট আর দেশি খাবারের রসদ জোগানোও এক বিশাল যুদ্ধ। গত কাতার বিশ্বকাপে মেসিবাহিনীর জন্য হরেক রকম ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

এবার ২০২৬ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপেও তার ব্যতিক্রম হলো না। আর্জেন্টাইনদের প্রাণের খাবার এবং প্রধান খাদ্যই হচ্ছে খাস গরুর মাংস। বিশেষ করে তাদের স্থানীয় পদ্ধতিতে কয়লার আগুনে পোড়ানো বা সেঁকা বারবিকিউ মাংস, যা ‘আসাদো’ নামে পরিচিত, তা ছাড়া আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা যেন মাঠেই নামতে পারেন না! আর সেই ‘আসাদো’র রসদ জোগাতে এবারও বিশ্বকাপ খেলতে আসার আগেই নিজেদের দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ মাংসের চালান উড়িয়ে নিয়ে এসেছে আর্জেন্টিনা।

বিগত কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা এবং উরুগুয়ে ফুটবল দল যৌথভাবে প্রায় ৯০০ কেজি মাংস নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমিয়েছিল। এবার আমেরিকা বিশ্বকাপেও সেই জিভে জল আনা ঐতিহ্যে কোনো ঘাটতি রাখেনি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্টাইলে কাটা ৫০০ কেজি খাঁটি আর্জেন্টাইন গরুর মাংস সরাসরি পৌঁছে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে অবস্থিত আর্জেন্টিনার বেসক্যাম্পে।

তবে আমেরিকার মাটিতে খাবার ঢোকানোর কড়া নিয়ম থাকায়, যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি- এফডিএ-এর মব কঠোর নীতিমালা মেনেই নিখুঁতভাবে এই মাংসের পার্সেল পাঠানো হয়েছে। এখন কানসাসের ক্যাম্পে ধোঁয়া ওঠা ‘আসাদো’র সাথে ভুট্টা ও স্থানীয় শস্যের তৈরি রুটি খেয়ে মাঠ কাঁপাতে পুরোপুরি প্রস্তুত আলবিসেলেস্তেরা।

খাবারের এই মহাযুদ্ধে অবশ্য শুধু আর্জেন্টিনাই একা লাইমলাইট কাড়েনি; ইউরোপের পরাশক্তি নরওয়ে ফুটবল দলও আমেরিকায় নিজেদের ক্যাম্প জমিয়ে তুলেছে খোদ দেশি খাবারের পসরা দিয়ে! নরওয়েজিয়ান ফুটবলারদের শতভাগ ফিটনেস ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে তারা দেশ থেকে উড়িয়ে এনেছে ৩০০ কেজি বিখ্যাত স্যামন মাছ, ৬০০ পিস তাজা কমলা এবং ১১৬ কেজি তাদের ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় পনির।

মাঠের পারফরম্যান্স যেমনই হোক না কেন, নিজেদের দেশি খাবারের স্বাদ আর পুষ্টির জোরে ফুটবলারদের চাঙ্গা রাখার এই ‘খাদ্য কূটনীতি’ কিন্তু ফুটবল ভক্তদের মাঝে বেশ দারুণ সাড়া ফেলেছে। এখন দেখার বিষয়, ৫০০ কেজি আসাদো মাংসের এনার্জি আর ৩০০ কেজি স্যামন মাছের প্রোটিনের এই জমজমাট লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে শেষ হাসি হাসে কারা!

এই বিভাগের আরো খবর