
ভারতের শিলিগুড়িতে পানিতে ডুবে নিহত বাংলাদেশী শিক্ষার্থী সাফায়েত হোসেন নওশাদের দাফন শুক্রবার দুপুরে নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার নিজ গ্রাম সোনারামপুর কবরস্থানে সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে শুক্রবার ভোরে লাশ ভুড়িমারী থেকে মোহনগঞ্জ নিয়ে আসেন। লাশ দেখে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে চলে আহাজারী ও শোকের মাতম। শিক্ষাথী নওশাদের প্রথম জানাযা মোহনগঞ্জের নওহাল গ্রামে এবং দ্বিতীয় জানাযা নিজ বাড়ী সোনারামপুরে অনুষ্ঠিত হয়। নিহতের পরিবারের স্বজনরা জানান, মহানন্দা নদীতে সাফায়েত হোসেন নওশাদ শিলিগুড়ির মহানন্দা নদীতে আরো দুই বন্ধুকে নিয়ে গোসল করতে যায়। পরে আচমকা তিনজনেই ডুবে যেতে থাকে। পরে বিষয়টি মহানন্দা ব্যারাজে মাছধরার জেলেরা দেখতে পেয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। পরে একজনকে উদ্ধার করলেও বাকী দুইজনকে উদ্ধার করতে পারেনি। শিক্ষার্থী নওশাদ ভারতের শিলিগুড়ির নারায়না ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের দশম শ্রেণির পড়ুয়া শিক্ষার্থী। গত রবিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার কথা জানান তার পিতা সানোয়ার হোসেন তালুকদার।