
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মূল্যস্ফীতির ইস্যু ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাগামহীন নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে নির্বাচনী ফলাফলে, যেখানে প্রতিনিধি পরিষদ, সিনেট ও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) ভোটকাস্ট জরিপ বলছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার মনে করেন যে, ট্রাম্পের গ্রহণ করা অর্থনৈতিক নীতিই দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়েছে। ভোটারদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, তার নীতিগুলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে। অথচ ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরিচালিত একই ধরনের জরিপে বাইডেনের নীতিকে দায়ী করেছিলেন প্রায় অর্ধেক ভোটার।
যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ মাসে দেশটিতে মূল্যস্ফীতির হার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। উল্লেখ্য, ট্রাম্প যখন দ্বিতীয় মেয়াদের দায়িত্ব বুঝে নেন, তখন মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৩ শতাংশ। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ট্রাম্প যে পূর্বসূরি জো বাইডেনকে দায়ী করে প্রচার চালিয়েছিলেন, তা সাধারণ ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি।
জরিপে আরও দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোটারের কাছে জীবনযাত্রার ব্যয় ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা বড় বিবেচ্য বিষয়। এই ভোটারদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশই তাদের নিজ নিজ এলাকায় প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের সমর্থন প্রদান করেছেন।