
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর মাঠে গড়ালেও জাতীয় স্টেডিয়ামে দেখা মিলল না কাঙ্ক্ষিত দর্শক সমাগমের। ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হলেও গ্যালারির অধিকাংশ আসনই ফাঁকা পড়ে আছে। বেলা পৌনে তিনটায় দুই দল মাঠে নেমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে নিলেও মাঠের পরিবেশে উৎসবের আমেজ ছিল অনুপস্থিত। সাফ ফুটবলের মতো দক্ষিণ এশিয়ার বড় আসর হওয়া সত্ত্বেও স্টেডিয়ামের ভেতর ও বাইরে নেই কোনো বাড়তি উত্তেজনা, যা আয়োজকদের বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন অনেকে।
দর্শক খরা তৈরির পেছনে টিকিটের উচ্চমূল্য এবং আয়োজক কর্তৃপক্ষের সঠিক প্রচারণার অভাবকে দায়ী করা হচ্ছে। উদ্বোধনী দিনের অনেক টিকিট অবিক্রিত রয়ে গেছে, ফলে দর্শকহীন এক নীরব পরিবেশে টুর্নামেন্টটি শুরু হলো। সাফের আগের আসরগুলোতে যে পরিমাণ ফুটবল উন্মাদনা দেখা যেত, এবার তার ছিটেফোঁটাও নেই। সব মিলিয়ে দর্শকশূন্য মাঠেই গড়াল সাফের ১৫তম এই আসরটি।
আয়োজনের সীমাবদ্ধতা শুধু দর্শক সংখ্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অব্যবস্থাপনা, সমন্বয়হীনতার অভাব এবং সাংগঠনিক অদক্ষতার মতো বিষয়গুলোও বারবার আলোচনায় আসছে। যদিও সাফ কর্তৃপক্ষ ও আয়োজক দেশ দাবি করেছে যে, টুর্নামেন্ট পরিচালনায় তাদের মধ্যে কোনো দূরত্ব নেই এবং সবকিছু সুশৃঙ্খলভাবেই হচ্ছে, তবে মাঠের পরিস্থিতি ভিন্ন চিত্রই তুলে ধরছে।
এদিকে এবারের টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। ২০০৩ সালে একবারই শিরোপা জেতার রেকর্ড থাকা বাংলাদেশের সামনে এবার ট্রফি জয়ের ভালো সুযোগ রয়েছে। এবারের আসরে মোট ছয়টি দল অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে বাংলাদেশকেই ফেভারিট হিসেবে দেখা হচ্ছে। আজ রাত আটটায় ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশ তাদের সাফ মিশন শুরু করবে।