1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
পাগলা মসজিদে এবার ৭ কোটি ২২ লাখ টাকা - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কাস্পিয়ানের প্রতিশোধ নিতে ইউক্রেনের বন্দরে হামলার পরিকল্পনা করেছিল ইরান ১৬ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন পিএসসির ৮ ক্যাটাগরির পদে ৩১ জুলাইয়ের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস ভারতে পালাতে গিয়ে যেভাবে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা ১ আগস্ট সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় ঢাকা-দিল্লি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঝিনাইগাতীতে ভাতিজার হাতে চাঁচি খুন মোহনগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটডোর বন্ধ করে কর্মস্থল ফাঁকি,৭ জন ডাক্তারকে শোকজ কুবি শিক্ষক সমিতির নতুন আহ্বায়ক ড. শামীমা নাসরিন

পাগলা মসজিদে এবার ৭ কোটি ২২ লাখ টাকা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৪ ৪:১৬ পিএম
শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ৯টি দানবাক্সে এবার মিলেছে ৭ কোটি ২২ লাখ ১৩ হাজার ৪৬ টাকা। ৩ মাস ২৭ দিন পর শনিবার সকালে এসব দানবাক্স খোলার পর মিলেছে স্বর্ণ-রৌপ্যালংকারসহ মনস্কামনা পূরণের অসংখ্য চিঠিও।

দানবাক্সগুলো খোলার সময় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ এবং ঘাটাইল সেনানিবাসের ১৯ আর্টিলারি ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার সকাল থেকে টাকা গোনা শুরু করে সেটা শেষ হয় সন্ধ্যা ৭টার দিকে। ৯টি দানবাক্সের ২৮ বস্তা টাকা গণনার পর মোট ৭ কোটি ২২ লাখ ১৩ হাজার ৪৬ টাকা পাওয়া গেছে। রূপালী ব্যাংকের পরিচালক, ডিজিএম এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার দুই শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী এ টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন। এর আগে ২০ এপ্রিল মসজিদের দানবাক্স খুলে রেকর্ড ৭ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৭ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ যুগান্তরকে জানান, মসজিদের স্থানে আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’ নামে দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। এর প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা। সেখানে ৩০ হাজার মুসলি­ একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। এ ছাড়াও এসব টাকা বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসা, এতিমখানার উন্নয়নের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় ব্যয় করা হয়।

জনশ্রুতি রয়েছে, শহরের হয়বতনগর জমিদার বাড়ির পূর্বপুরুষ মসনদে আলা বীর ঈশা খাঁর বংশে জিল কদর খান নামের এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝপথে প্রবাহিত নরসুন্দা নদের মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা উঁচু টিলাকৃতির স্থানে।

মুসলিম ও হিন্দু-নির্বিশেষে সব লোকজনের যাতায়াত ছিল ওই সাধকের আস্তানায়। ওই পাগল সাধকের দেহাবসানের পর তার উপাসনালয়কে কামেল পাগল পিরের মসজিদ হিসাবে ব্যবহার শুরু করেন এলাকাবাসী।

এই বিভাগের আরো খবর