1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কমলগঞ্জে সাড়ে ৬ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে ‘দিমাগি নকশাল’ নাসিরুদ্দিন শাহ ইসরায়েলি নির্বাচনে ঝুলে আছে ক্ষমতার ভাগ্য, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারো যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে নিজেকেই ব্রাজিলের প্রকৃত নেতা বললেন ফ্লাভিও ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর ক্ষমতার আসন টলমল, সরকার গঠনে অনিশ্চয়তা ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে সকাল আটটা থেকে নতুন মামলায় ইরানি নির্মাতা জাফর পানাহিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সব ম্যাচ জয়ের ছক কষছেন কোচ ডুলি বাংলাদেশ-জাপান ৬টি চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা মোশাররফ ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব বিএফআইইউর উখিয়ায় নলকূপের গ্যাসে আগুন, ৪০ ঘণ্টাতেও অধরা নিয়ন্ত্রণ

কমলগঞ্জে সাড়ে ৬ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত

তিমির বনিক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১:০০ পিএম
শেয়ার করুন

সম্প্রতি টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে দেখা দেয় ভয়াবহ বন্যা, ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের একাধিক স্থানে ভাঙ্গনের ফলে পানি বন্দি হয়ে পড়ে কয়েক হাজার মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বসতঘর, মৎস্য খামার ও গ্রামীণ সড়ক। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষি খাত।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রের বরাতে জানা যায়, বন্যায় উপজেলার প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রায় ১ শত হেক্টর আউশ ও ৩ হাজার হেক্টর আমনের ফসল ও সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নেরর ছাইয়াখালী হাওর, পতনঊষার ইউনিয়নের কেওলার হাওর এলাকা সবচেয়ে নিচু হওয়ায় এবং বন্যার পানি স্থায়ী হওয়ায় সেখানকার কৃষক সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাশাপাশি আমনের চারা না থাকায় কৃষকরা পাশের উপজেলা থেকে অধিক মূল্যে চারা সংগ্রহ করছেন বলে জানা যায়।

কৃষক আরজদ আলী, জব্বার মিয়া জানান, আমনের চারা রোপণ করার কয়েক দিন পর থেকে বন্যা শুরু হয়। বন্যার পানির নিচে থাকায় জমির আমনের রোপিত চারা পচে নষ্ট হয় যায়। এখন বন্যার পানি কমলেও নতুন করে চাষ করার মতো সময় নেই। তাছাড়া সার, বীজ এবং শ্রমিকের মজুরি বাবদ যে টাকা খরচ হবে সেটাও ব্যয়ভার বহন করা কঠিন। সরকারীভাবে সহযোগিতা না করলে ঘুরে দাঁড়ানো অসম্ভব, এখন অনেক কৃষকের অবস্থাই তাদের মতো।’

কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় জানান, বন্যায় উপজেলার সাড়ে ৬ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হয়েছে। কৃষকদের মাঝে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমনের ৭৫ ও বীনা -১৭ জাতের বীজ সরবরাহ করা হবে। যা দ্রুত সময়ে রোপন করা যাবে, এতে কিছুটা হলেও কৃষকের ক্ষতি নিবারণ হবে বলে মনে করেন৷

এই বিভাগের আরো খবর