1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
আপনাকে পদোন্নতি দিব না, আপনি ফ্যাসিস্ট : বেরোবি উপাচার্য - আজকের কাগজ
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সচিব পর্যায়ে বড় রদবদল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি পদায়ন দাউদকান্দিতে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, পরোয়ানায় আটক আরও ২ শারদীয়া দূর্গোৎসবে মহাদেবপুরে এমপি’র শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ সরকার বিরোধী দলের সহযোগিত নিতে ব্যর্থ হয়েছে: জামায়াত আমির মালিকসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার এক সচিবালয় যাচ্ছে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন কুড়িগ্রামে মাছ কিনতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় মৃত্যু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা-২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত ‘নিরাপত্তা সমন্বয় সভা’ অনুষ্ঠিত পাশাপাশি তিন কবরে স্ত্রী-সন্তান, শোকে পাথর প্রভাষক!

আপনাকে পদোন্নতি দিব না, আপনি ফ্যাসিস্ট : বেরোবি উপাচার্য

মাসফিকুল হাসান,বেরোবি প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬ ৮:২৩ পিএম
শেয়ার করুন

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) উপাচার্যের অফিস কক্ষে রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড মোঃ আব্দুল লতিফ পদোন্নতির বিষয়ে কথা বলতে গেলে সঙ্গে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন উপাচার্য অধ্যাপক ড মোঃ শওকাত আলী।

সোমবার (৪ মে) বিকাল ৫.২০ মিনিটে পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষক ড মোঃ আব্দুল লতিফ তাঁর পদন্নতির বিষয়ে জানতে উপাচার্যের কক্ষে প্রবেশ করেন বিকেল ৫.১৫ মিনিটে। সেই সময় উপাচার্যের কক্ষে আগে থেকে অপেক্ষা করছিলেন সিএসই বিভাগের আরেক পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষক ড প্রদীপ কুমার সরকার।

ভিসি কক্ষে সেই সময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ মাসুদ রানা এবং অন্যজন হলেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড মোঃ হারুন-আল-রশিদ। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড সুমন কুমার দেবনাথ সহ আরও অনেকে। ভিসি কক্ষে ড প্রদীপ কুমার সরকার তাঁর বিষয়ে উপাচার্যকে অনুরোধ করছিলেন এবং ভিসিকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন তাঁর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার বিষয়গুলো। এ সময় রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড মোঃ আব্দুল লতিফ অবিজ্ঞতার গণনার ব্যাপারটিতে পূর্বের যোগদান পত্রে যা লেখা আছে তা অনুসরণ করার জন্য ভিসিকে অনুরোধ করেন।

অথচ শিক্ষকদের এটি ন্যায্য প্রাপ্য । সূত্র থেকে জানা যায় অধ্যাপক পর্যায়ে পদন্নতির জন্য রেয়াত বন্ধ ছিল, পূর্বে কাউকেই তিনি রেয়াত দেন নি। বিষয়টি শিক্ষকরা মেনেও নিয়েছিল কিন্তু বিপত্তিটা শুরু হল ১১৭/১১৮ তম সিন্ডিকেটে অধ্যাপক পর্যায়ে পদন্নতির জন্য রেয়াত বন্ধের বিষয়টি যখন উঠিয়ে দেয়া হল। এই নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে দিয়ে আবেদনের দুই দিনের মধ্যে বোর্ড করে একজন শিক্ষককে নীতিমালা ভঙ্গ করে অধিক প্রকাশনার জন্য সক্রিয় কালে রেয়াত দিয়ে পদোন্নতি প্রদান করা হলো। কিন্তু নীতিমালা অনুসারে প্রকাশনার জন্য চাকুরীর সক্রিয় কালে কখনেই রেয়াত দেয়া যাবে না, রেয়াত দেয়া যাবে সর্বমোট কর্মকালে। এক্ষেত্রে যদি কোন শিক্ষকের প্রয়োজনীয় পরিমাণ সক্রিয় কাল থাকে কিন্তু সর্বমোট কর্মকালের ঘাটতি থাকে তখন ঐ শিক্ষক তাঁর অতিরিক্ত প্রকাশনা থেকে সর্বচ্চ এ বছর রেয়াত নিয়ে ঐ ঘাটতি পূরণ করতে পারেন। কিন্তু যদি কোন শিক্ষকের প্রয়োজনীয় পরিমাণ সর্বমোট কর্মকাল থাকে কিন্তু সক্রিয় কর্মকাল ঘাটতি থাকে তখন ঐ শিক্ষক তাঁর অতিরিক্ত প্রকাশনা থেকে ঐ ঘাটতি কোনভাবেই পূরণ করতে পারবেন না। তবে দায়িত্বের জন্য যে রেয়াত পাবে তা সক্রিয় কর্মকালের ঘাটতি পূরণ করবে । এই রেয়াতের বিষয়ে কোন নিয়ম ভঙ্গ করে পদোন্নতি নিয়ে থাকলে তা ভবিষ্যতে তদন্ত করে প্রমাণিত হলে নিয়ম ভঙ্গ করে পদন্নতি পাওয়া শিক্ষকের demotion ও হতে পারে। তবে উপাচার্য বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল।

এসময় ড. মোঃ আব্দুল লতিফ তাঁর ন্যায্য পদোন্নতি দাবি করলে উপাচার্য তাঁর সঙ্গে বাক যুদ্ধে জড়িয়ে পরে। আব্দুল লতিফও উপাচার্যকে কটাক্ষ করে বলেন- আপনি একটা দুর্নীতিগ্রস্থ লোক, আপনি দুদকের মামলার আসামি।আপনাকে কাম্পাছে ঢুকতে দিব না ।

জবাবে উপাচার্য বলেন আপনাকে পদোন্নতি দিব না যা পারেন করেন, আপনি আওয়ামীলীগ, আপনি ফ্যাসিট।আপনি রুম থেকে বেড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে উপস্থিত থাকা কয়েকজনের সাথে কথা বলে বিষয় টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তারা সকলে বিষয় টি স্বীকারও করেন।

এ বিষয়ে রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল লতিফের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যথাযথভাবে আবেদন করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠিত নিয়োগ পত্রের শর্ত বাতিল করে তিনি আমাদের হয়রানি করছেন। অথচ আগের নিয়মেই অন্য কাউকে পদোন্নতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এক পর্যায়ে তিনি উপাচার্য দপ্তর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। একজন শিক্ষক হিসেবে এটি লজ্জার এবং কষ্টের।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে একাধিক বার ফোন করেও ওনাকে ফোনে পাওয়া যায় নি।

এই বিভাগের আরো খবর