
বাবার ইচ্ছে শক্তিতে বাউলগানে মনোনিবেশ করে পরিবারের বড় মেয়ে।প্রবল আগ্রহ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন স্থানীয় একটি একাডেমিতে।বাউল গান শেখার জন্য আল আমিন সরকারের একাডেমিতে নিয়মিত যাতায়াত সূত্রে অভিযুক্তদের সঙ্গে পরিচয় হয়।ভুক্তভোগী জানান, বিভিন্ন সময় অভিযুক্তরা তাকে উত্যক্ত ও কু-প্রস্তাব দিত।এ নিয়ে অভিযুক্তদের একাধিক শাসিয়ে দেওয়া হয়েছে।ঘটনার দিন ভুক্তভোগী ছদ্মনাম নাঈমা সরকার (১৩)পাশের বাড়িতে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয়।নাঈমা কাকড়াজান ইউনিয়নের ভূয়াইদ এলাকার নুরুল ইসলামের মেয়ে। সে একটি স্থানীয় বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।গত বুধবার রাতে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে একদিন পর তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পাশের উপজেলার ভালুকার ধানকুড়া রিসোর্ট থেকে নাঈমাকে উদ্ধার করে পুলিশ । এসময় অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন,বড়চওনা ইউনিয়নের ইকুরিয়া পাড়া এলাকার লেবু মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন সরকার (৩৫)অপরজন একই ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে মজিবর রহমান সরকার ( ৫৫)।প্রাথমিকভাবে অভিযুক্তরা প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। পরে অজ্ঞানসহ তাদের বিরুদ্ধে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার দায়ের করা হয়।
এবিষয়ে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুরাদ হোসেন বলেন,আসামিদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।