1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষক-সাংবাদিকসহ আহত ৩০ - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:

জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষক-সাংবাদিকসহ আহত ৩০

জবি প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৮:৪৩ পিএম
শেয়ার করুন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আন্তবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই পক্ষ। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ধূপখোলায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী লোকপ্রশাসন বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী প্রতিক মন্ডল জানান, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ট্রাইবেকারে জিতে যাওয়ার পর হঠাৎ করে উক্ত বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও খেলোয়াড় উগ্রভাবে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের দিকে তেড়ে যায়। এ সময় এক শিক্ষিকার গায়ে ধাক্কা দেন সেই শিক্ষার্থীরা। ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়, যা দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

আহতদের পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে। আহতরা ক্যাম্পাস সাংবাবিদকরা হলেন, আমার দেশের লিমন ইসলাম, ডেইলি স্টারের রাকিবুল ইসলাম, দেশ রুপান্তরের ফাতেমা আলী, আজকের পত্রিকার সোহান ফরাজী , দিনকালের শিহাব, বার্তা২৪-এর সোহানুর রহমান সুবেল, কালবেলার তৌসিন, নাইম, রাকিব মাজহার। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মোহাম্মদ সালেহ উদ্দীন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম ও নাজমুস সাকিব। আহত শিক্ষার্থীদের সকলের নাম ও বিভাগ জানা যায়নি।

আহতদের মধ্যে দৈনিক আমার দেশের জবি প্রতিনিধি লিমন ইসলাম ও ডেইলি স্টারের জবি প্রতিনিধি রাকিব মাদবরের অবস্থা গুরুতর।

হামলার শিকার দৈনিক আমার দেশের জবি প্রতিনিধি লিমন ইসলাম বলেন, “ম্যাচে জেতার পর ওরা প্রথমে জার্নালিজম বিভাগের ওপর হামলা চালায়। ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১৫ ব্যাচের রাফি ও জকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র বিষয়ক সম্পাদক নূর নবী ও জবি পরিবহন প্রশাসক তারেক বিন আতিকের ইন্ধনে এই হামলা হয়। স্টেজের সামনে স্বয়ং ভিসি ও ট্রেজারার স্যারের উপস্থিতিতে প্রায় ২০-২৫ জন মিলে আমাকে বেধড়ক মারধর করেছে।”

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের গণ-যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ রাকিব মিয়া বলেন, “ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ও জকসুর পরাজিত এজিএস পদপ্রার্থী বিএম আতিকুর রহমান তানজিল স্টেজের পূর্ব কর্ণার থেকে লাঠি সরবরাহ করে এবং হামলার জন্য ইন্ধন দিতে থাকেন।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “ঘটনাটি আমাদের সামনেই ঘটেছে। আমরা এ বিষয়ে মিটিং করছি। এর সাথে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এই বিভাগের আরো খবর