1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
জাতীয় ঐক্যই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী - আজকের কাগজ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন

জাতীয় ঐক্যই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ৮:০২ পিএম
শেয়ার করুন

একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে, রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, মত ও পথের ভিন্নতা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হতে পারে, কিন্তু সেই ভিন্নতা যেন কোনোভাবেই শত্রুতায় রূপ না নেয়।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী জাতীয় নেতাদের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ঐতিহাসিক সত্যকে অস্বীকার করা হীনম্মন্যতার পরিচয় উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন যে, ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এ বিষয়ে কাউকে ক্ষমা করবে না। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা’।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী একটি চক্র এখনো সুযোগের অপেক্ষায় ওৎ পেতে আছে। এই অপশক্তি মোকাবিলায় অভ্যন্তরীণ বিভাজন এড়িয়ে চলা এখন সময়ের দাবি। তিনি সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতীয় স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

এ বছর মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সমাজসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁদেরকে ‘জাতির গর্ব’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং দেশবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর দেশের অগ্রগতির কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখনো অনেক অপূর্ণতা রয়ে গেছে। তিনি জানান, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনজীবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। বিশেষ করে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান, সরকার নারীর জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে পরিকল্পিত কর্মসূচি শুরু করেছে। এছাড়াও নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবং ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সরকার এখনো মূল্য সমন্বয় করেনি। বরং ভর্তুকি দিয়ে হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

সবশেষে, প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাঁদের এই অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তিনি বিশ্বাস করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *