1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
মার্কিন অবরোধে হরমুজ থেকে ফিরে গেল ১০ জাহাজ - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ইসরাইলের আয়রন ডোম ধ্বংস করল হিজবুল্লাহ শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে এমপি আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ২ খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হচ্ছে না: বাংলাদেশ ব্যাংক ভোলায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে তোফায়েল আহমেদকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করছে ইরান হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৫৮৮ সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা মোকাবিলায় সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’: তথ্যমন্ত্রী হিলিতে ৩ থানার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি সুজন গ্রেফতার চরফ্যাশনে হত্যা চেষ্টায় হামলায় নারীসহ আহত-৫ কুমিল্লা বিজিবির অভিযানে ১ কোটি ১৩লক্ষ টাকা মুল্যের মাদক ও চোরা চালানিপণ্য জব্দ

মার্কিন অবরোধে হরমুজ থেকে ফিরে গেল ১০ জাহাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ৭:৫৬ পিএম
শেয়ার করুন

গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া হরমুজ প্রণালীর নৌ-অবরোধে নিজেদের শক্ত অবস্থানের কথা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, অবরোধ কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ এই নিরাপত্তা বলয় ভেঙে ইরানি উপকূলে পৌঁছাতে বা সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে, এই দাবির বিষয়ে কোন মন্তব্য করেনি ইরান। খবর বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) গত রাতে এক হালনাগাদ তথ্যে জানিয়েছে, সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০টি জাহাজকে ইরানের দিকে যেতে বাধা দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, ইরানি উপকূল অভিমুখে যাওয়া বা সেখান থেকে আসা যেকোনো জাহাজকে তারা আটক করবে অথবা ফিরিয়ে দেবে। তবে ইরান বাদে অন্য কোনো গন্তব্যের উদ্দেশ্যে চলাচলকারী জাহাজগুলো এই প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি পাবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই কঠোর পদক্ষেপের পেছনে দুটি প্রধান লক্ষ্য রয়েছে। প্রথমত, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে ইরান যে চড়া মাশুল বা ‘টোল’ আদায় করত, তা বন্ধ করা। দ্বিতীয়ত, ইরানের তেল রপ্তানির পথ সম্পূর্ণ রুদ্ধ করে দিয়ে দেশটির ওপর চরম অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা। ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, এই চাপের ফলে ইরান তাদের বর্তমান নীতি পরিবর্তন করতে বাধ্য হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকাণ্ডকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করেছে ইরান। তেহরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, তারা এই অবরোধ মুখ বুজে সহ্য করবে না। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর এবং লোহিত সাগরে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছে। ইরানের এই হুঁশিয়ারি বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ এবং সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল সরবরাহের পথ হিসেবে পরিচিত এই হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই মুখোমুখি অবস্থান বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। একদিকে ওয়াশিংটনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, অন্যদিকে তেহরানের পাল্টা আঘাতের হুমকি, সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই জলপথ এখন এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

এই বিভাগের আরো খবর