1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
‘দেশের পতাকা সমুন্নত রাখতে বহু বঞ্চনা-কষ্টের শিকার হয়েছেন খালেদা জিয়া’ - আজকের কাগজ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিপিসির জ্বালানিবাহী জাহাজ পেরিয়েছে ‘রেড জোন’ পুলিশসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের জ্বালানি তেলের রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ‘দেখে নেওয়ার হুংকার’ নিউজিল্যান্ডের গুলির শব্দ শুনে ট্রাম্পকে রেখেই আত্মরক্ষার পথ বেছে নেন মেলানিয়া ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৬ সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিলের বিল পাস রাজস্ব কর্মকর্তা ‘খুন’ : র‍্যাবের জালে ৩ ছিনতাইকারী জুতাপেটার ঘটনায় সেই নারী শিক্ষক বরখাস্ত ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের নৈশ্য ভোজে গুলির ঘটনায় বিশ্বনেতাদের প্রতিক্রিয়া আইভীকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ

‘দেশের পতাকা সমুন্নত রাখতে বহু বঞ্চনা-কষ্টের শিকার হয়েছেন খালেদা জিয়া’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬ ৬:৫২ পিএম
শেয়ার করুন

আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, অপবাদ, হয়রানি ও নির্যাতন শুরু হয়। বেগম খালেদা জিয়া এর মধ্যেও অটল থাকেন অসীম আত্মত্যাগ, সাহসিকতা আর দেশপ্রেম নিয়ে।

আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘আমি বেগম খালেদা জিয়ার ভক্ত ছিলাম অনেক আগে থেকে। তিনি সাংবাদিক হিসেবে আমাকে পছন্দ করতেন সম্ভবত। ১৯৮৮/৮৯ সালের কথা।বিএনপির অফিস ছিল তখন ধানমন্ডিতে। আমি উনার অফিসে বসে সাক্ষাৎকার নিচ্ছি। লিখিত প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পর তিনি মুখোমুখি প্রশ্ন করার সুযোগ দিলেন সেদিন।
বিএনপিতে তখন এসব দেখাশোনা করতেন ফজলুর রহমান পটল ভাই। মহাসচিব ছিলেন ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদার ভাই। ম্যাডামের রুমে আমি ঢুকলাম ছাত্রদল সভাপতি আসাদুজ্জামান রিপনকে সাথে নিয়ে।’

‘ম্যাডাম একটা বিরাট টেবিলের পেছনে বড়সড় চেয়ারে। সামনে টেবিল ঘিরে রাখা চেয়ারের একটাতে আমি, দূরের আরেকটাতে রিপন ভাই। লম্বালম্বি ঘরটার অন্যপ্রান্তে বেতের সোফাসেট। সেখানে বিএনপির সিনিয়র নেতারা বসে আছেন। ম্যাডামের লিখিত উত্তর বেশি আকর্ষণীয় মনে হলো না। সাক্ষাৎকার প্রাণবন্ত করতে আমি ম্যাডামকে চোখা একটা প্রশ্ন করলাম। তিনি একটু থমকে গেলেন। পেছন থেকে সাইফুর রহমান সাহেব বললেন, এটা কী ধরনের প্রশ্ন করলেন! আমি তখন খুব রাগী তরুণ ছিলাম। জনাব রহমানকে বললাম, আপনি কথা বলছেন কেন! আমি তো আপনার ইন্টারভিউ নিচ্ছি না! তিনি রেগে কিছু বলতে যাচ্ছিলেন। ম্যাডাম তাকে থামালেন। তারপর হাসিমুখে আমার প্রশ্নের উত্তর দিলেন। এরপরও চার/পাঁচবার উনার একান্ত সাক্ষাৎকার নিয়েছি সাপ্তাহিক বিচিত্রায়।’

আইন উপদেষ্টা আরও লিখেছেন, ‘পিএইচডি শেষ করে দেশে ফেরার পর আমি কলামিস্ট হলাম, টক-শোতে কথা বলা শুরু করলাম। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর উনার (বেগম খালেদা জিয়া) বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, অপবাদ, হয়রানি ও নির্যাতন শুরু হলো। বেগম খালেদা জিয়া এর মধ্যেও অটল থাকলেন অসীম আত্মত্যাগ, সাহসিকতা আর দেশপ্রেম নিয়ে! আমি ম্যাডামকে প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করতে শুরু করলাম। শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট আমলে কোনোদিন আমি এই শ্রদ্ধা আর সমর্থন প্রকাশে বিরত ছিলাম না। মির্জা ফখরুল ভাই ছাড়া বিএনপিরই কাউকে ম্যাডামের পক্ষে এতটা বলতে শুনিনি সেই পনের বছরে।’

‘আল্লাহ্ আমাকে তার প্রতিদান দিয়েছেন। ম্যাডামকে শেষ বিদায় দেওয়ার দিনে প্রায় সারাটা সময় ছিলাম উনার আর উনার পরিবারের আশপাশে। উনার জন্য প্রথম দোয়াতে শরীক হয়েছি। উনাকে জড়িয়ে রাখা ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। এই পতাকা সমুন্নত রাখার জন্য তিনি সারাজীবন বহু বঞ্চনা আর দুঃখ কষ্টের শিকার হয়েছেন। এই পতাকা উনার সন্তানের হাতে তুলে দেওয়ার সৌভাগ্যও হলো আমারই। আল্লাহর কাছে হাজারো শুকরিয়া।’

https://www.facebook.com/share/p/1DQ7Qjnr8P/

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *