1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
যশোর বোর্ডে এইচএসসি ফলাফল: পাশের হার ও জিপিএ-৫ এ পতন - আজকের কাগজ
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
উত্তর প্রদেশে নির্বাচনী রণকৌশল নিয়ে চিন্তিত অমিত শাহ এইচএসসি পরীক্ষায় বগুড়ার ৫ প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেননি যশোর বোর্ডে এইচএসসি ফলাফল: পাশের হার ও জিপিএ-৫ এ পতন সরকারি ফ্ল্যাটে সাবলেট উচ্ছেদ: বাড়ি ছাড়তে হচ্ছে ইডেন-বদরুন্নেসার শিক্ষার্থীদের রংপুরের পীরগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাশের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ এক-দুই বিষয়ে ফেল করা এইচএসসি শিক্ষার্থীরা এক মাসেই ফের পরীক্ষার সুযোগ গণভোটের রায় না মানলে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়লেন পোপ চতুর্দশ লিও ইউক্রেনকে ২১০ কোটি ডলারের ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

যশোর বোর্ডে এইচএসসি ফলাফল: পাশের হার ও জিপিএ-৫ এ পতন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২:৪০ পিএম
শেয়ার করুন

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের কনফারেন্স রুমে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ বছর যশোর বোর্ডে পাশের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৩২ শতাংশ কম। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গতবারের চেয়ে ২ হাজার ৭৬৭ জন কমে ৩ হাজার ২২৮ জনে নেমে এসেছে। অর্থাৎ, পাশের হারের পাশাপাশি কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও।

ফলাফল কম হওয়াকে সরাসরি ‘ফল বিপর্যয়’ হিসেবে দেখতে নারাজ বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

বোর্ড সচিবের ভাষ্যমতে, পরীক্ষার পদ্ধতি ও খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে, যার ফলে প্রকৃত ফলাফল উঠে এসেছে। শিক্ষকরা উত্তরপত্র যেভাবে পেয়েছেন, মূল্যায়নও তেমন করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা সংখ্যার চেয়ে গুণগত মানকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। পড়াশোনায় মনোযোগী শিক্ষার্থীরাই ভালো ফলাফল করেছে। চলতি বছর ১০টি জেলার ৫৭১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ১২ হাজার ৭৯১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, যার মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫০ হাজার ৬৬৮ জন। পরীক্ষা চলাকালে ৪৩ জন শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছিল। তিনি বলেন, আমরা কোয়ালিটি চাই, কোয়ান্টিটি নয়। সেগুলো হচ্ছে ডুমুরিয়ার মডেল মহিলা কলেজ (৩), খুলনা সদরের ইন্ডিপেনডেন্ট আইডিয়াল কলেজ (১১), কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির (৩), কয়রা শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২৭), রূপসা উপজেলার কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস স্কুল (১) এবং খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড। 3, 11, 27, 1, 12. কুষ্টিয়ার দুটি যথাক্রমে মিরপুর উপজেলার হাজি নুরুল ইসলাম কলেজ (৮) ও কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর আইডিয়াল কলেজ (১)। মাগুরার দুটি যথাক্রমে বুজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজ (১৫) ও মহম্মদপুর উপজেলার গোপীনাথপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২)। সাতক্ষীরার দুটি প্রতিষ্ঠান ইসলামিয়া মহিলা কলেজ (৩) ও একে ফজলুল হক এমসিএ কলেজ (৪৯)।

শিক্ষার্থীদের ফলাফলের এই নিম্নমুখী প্রবণতার পেছনে ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়কে দায়ী করা হয়েছে। ইংরেজিতে পাশের হার ৫৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং আইসিটিতে ৬৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ। উচ্চতর গণিতে ৬৯ দশমিক ৭১, রসায়নে ৭৭ দশমিক ৪৮ এবং অ্যাকাউন্টিংয়ে ৭৬ দশমিক ২২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। বোর্ড সচিব জানান, ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের খারাপ ফলাফল কাটিয়ে উঠতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বোর্ড সচিব বলেন, ইংরেজিতে পাশের হার খুবই কম হওয়ায় তার প্রভাব পড়েছে মূল ফলাফলে। এ ছাড়া আইসিটিতেও শিক্ষার্থীরা বেশ খারাপ করেছে। তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং ক্লাসে যাতে শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হয়, সে বিষয়টি আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।

জেলার ভিত্তিতে পাশের হারে যশোর শীর্ষে (৫২ দশমিক ৯৪ শতাংশ) রয়েছে। এরপর যথাক্রমে খুলনা (৪৬ দশমিক ৬৫), চুয়াডাঙ্গা (৪৬ দশমিক ১৩), কুষ্টিয়া (৪৫ দশমিক ৩৮), সাতক্ষীরা (৪৩ দশমিক ৪৫), ঝিনাইদহ (৪১ দশমিক ৯৮), মেহেরপুর (৪০ দশমিক ৭৬), বাগেরহাট (৩৮ দশমিক ৮৬), মাগুরা (৩৭ দশমিক ৩৬) এবং সবশেষে নড়াইল (৩৬ দশমিক ৭৮) জেলা রয়েছে।

এ বছর বোর্ডে শতভাগ পাশ করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩টিতে নেমে এসেছে, যা গত বছর ছিল ৫টি। শতভাগ সফল প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ (৪৩ জন), খুলনার খালিশপুর নেভি অ্যাংকরেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৬১ জন) এবং চুয়াডাঙ্গার ব্রাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২৩ জন)। অন্যদিকে, ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীও পাশ করতে পারেনি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০টি। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও স্বীকৃতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে বলে বোর্ড সচিব জানিয়েছেন।

শূন্য পাশ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা নিচে দেওয়া হলো

  • খুলনার ৬টি প্রতিষ্ঠান: ডুমুরিয়ার মডেল মহিলা কলেজ, খুলনা সদরের ইন্ডিপেনডেন্ট আইডিয়াল কলেজ, কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির, কয়রা শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রূপসা উপজেলার কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এবং খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
  • কুষ্টিয়ার দুটি: মিরপুর উপজেলার হাজি নুরুল ইসলাম কলেজ ও কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর আইডিয়াল কলেজ।
  • মাগুরার দুটি: বুজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজ ও মহম্মদপুর উপজেলার গোপীনাথপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
  • সাতক্ষীরার দুটি: ইসলামিয়া মহিলা কলেজ ও একে ফজলুল হক এমসিএ কলেজ।
  • মেহেরপুরের মরকা জাগরণ কলেজ (১ জন), ঝিনাইদহের মল্লিক শহিদুল ইসলাম কারিগরি কলেজ (১৯ জন), যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সবুজপল্লী কলেজ (৭ জন) এবং নড়াইলের মাকরাইল করিম খালেক সোলায়মান ইনস্টিটিউট (৪৩ জন)।
এই বিভাগের আরো খবর