1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
সেন্ট মার্টিন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে - আজকের কাগজ
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মে দিবসে শ্রমিক দলের সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী সেন্ট মার্টিন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে সিংগাইরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে লাথির আঘাতে বড় ভাই নিহত! আরেক ভাই গুরুতর আহত-১ কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে সরকার: ডাঃ জাহিদ হোসেন উৎপাদনে ফিরলো বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট টপ অ্যাঙ্গেলে ‘অশালীন ভিডিও’ ধারণ নিয়ে যা বললেন পরীমনি-মিম সরকারি হাসপাতালে ‘রোস্টার ডিউটির’ মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা চালু করা প্রয়োজন গাদ্দারি করে বিএনপি টিকে থাকতে পারবে না : মামুনুল হক রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানাল আমিরাত, বাংলাদেশে কবে?

সেন্ট মার্টিন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ৯:৪৪ পিএম
শেয়ার করুন

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। তার এই মন্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চালু হওয়া নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বহাল রাখারই কথা উঠে এলো।

খবর ডয়চে ভেলের।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ প্রায় সাত বছর ধরে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শের ধারাবাহিকতায় তৎকালীন সরকার ২০২৪ সালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পর্যটন নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল।

সরেজমিনে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা করে দেখা গেছে—৯ মাস পর্যটন বন্ধ রাখার কারণে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে ২০২৪ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকার সেখানে গমনাগমনে কড়াকড়ি আরোপ করে।

এর আওতায় প্রতিদিন অনধিক দুই হাজার পর্যটককে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়। আর এই তিন মাসে পর্যটনের ফলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য যে ক্ষতির সম্মুখীন হয় তা পুনরুদ্ধারের জন্য ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ৯ মাস দ্বীপে পর্যটন বন্ধ রাখা হয়।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, এই সময়ে দ্বীপ প্রাকৃতিকভাবে তার পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার করার সুযোগ পায়।

গৃহীত সিদ্ধান্তে উপকার পাওয়া গেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ভ্রমণের এই ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে। এ বিষয়ে সরেজমিনে বিজ্ঞানভিত্তিক স্টাডিও হয়েছে।

তাই এই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন উল্লেখ করে মিন্টু বলেন, তিন মাসের অধিক সময় পর্যটন চালু থাকলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। সুতরাং উন্মুক্ত সাগরের বুকে বাংলাদেশের একমাত্র কোরাল বা প্রবাল সংশ্লিষ্ট স্থান, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও আমাদের গর্বের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের এই ব্যবস্থা আমাদের চালু রাখতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব হস্তান্তরের সপ্তাহ তিনেক আগে গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে নয় মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করে, যা আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তার আগে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাস সেখানে বেড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন পর্যটকরা।

অবশ্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে সরকারের এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন অনেকে। তারা বলছেন, দ্বীপের অধিকাংশ মানুষের আয়ের প্রধান উৎস পর্যটনশিল্প। কিন্তু ভ্রমণ সীমিত থাকায় স্থানীয় অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছে অনেক পরিবার।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *