
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি ঘোষিত “সম্প্রীতি, বাস্তবতা ও রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখা” এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার প্রকৌশলী ফজলুল আজিম মহিলা কলেজ মাঠে এই সমাবেশ হয়। সমাবেশ শুরুর আগে বিএনপির সদস্য নবায়ন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন হাতিয়ার উন্নয়নের অন্যতম রূপকার ও তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম।
সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল, ব্যানার ও ধানের শীষ প্রতীকের স্লোগানে সমবেত হতে থাকেন হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
মিছিল থেকে উচ্চারিত হয়—
ফজলুল আজিম— আবার চাই / ধানের শীষ— আবার চাই”
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা খোন্দকার মো. আবুল কালাম।
প্রধান অতিথি: প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম
বিশেষ অতিথি: আজিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারহান আজিম
সঞ্চালনায় ছিলেন:
ইকবাল উদ্দিন রাশেদ (সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা বিএনপি)
আমিরুল ইসলাম (সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা যুবদল)
এছাড়া বক্তব্য রাখেন—
পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী মাও. আবদুর রহিম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট মো. ইউনুছ, মোসলেহ উদ্দিন নিজাম চৌধুরী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার হোসেন স্বপন, আলমগীর কবির, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট নূর হোসেন সুমন প্রমুখ।
“আমি যা বলি, তাই করি”— আবেগঘন বক্তব্যে ফজলুল আজিম,প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী ফজলুল আজিম আবেগমাখা কণ্ঠে বলেন—
“হাতিয়ার মানুষের সাথে ছিলাম, আছি, থাকবো। আমি যা কথা দিই, তা বাস্তবায়ন করি— ৩৫ বছরের রাজনীতি ও সমাজসেবাই তার প্রমাণ।
তিনি তার সময়ে বাস্তবায়িত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বলেন—
তমরদ্দি ইউনিয়নে নদী ভাঙন রোধে ব্লক বাঁধ
হাতিয়ার প্রধান সড়ক প্রশস্তকরণ
ইউনিয়ন পর্যায়ে কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ
বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে উদ্যোগ
ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন
তিনি অভিযোগ করে বলেন—
“গত ১৫ বছরে হাতিয়ায় তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়ন থমকে গেছে।”
আগামীতে সুযোগ পেলে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন—
নিঝুম দ্বীপে ক্রস বাঁধ নির্মাণ
যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন
হাতিয়াকে জেলায় উন্নীতকরণ
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও পর্যটন খাতে বড় পরিবর্তন
জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন—
“আমি আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, থাকবো। আর যদি কখনো আপনাদের সেবা করার সুযোগ না পাই, আমার ছেলেকেও আপনাদের ভালোবাসা দেবেন।”
Leave a Reply