1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
অতিরিক্ত ‘বাড়ি ভাড়ায়’ চাপা কষ্টে মধ্যবিত্তরা - আজকের কাগজ
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাতের আঁধারে ক্ষুধার্ত ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ালেন সানজিদা ইসলাম তুলি এমপি আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল আমার পেছনে কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে ব্রাজিল বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম কালিয়াকৈরে মাদক বিরোধী অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার দুই যুবক রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা ভাইরাল ভিডিও কাণ্ডে কুড়িগ্রামে পদ গেল প্যানেল চেয়ারম্যানের ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না গাড়ি থামিয়ে গুলি করে ৭ মাসের শিশুকে হত্যা, বিচার দাবি পরিবারের ইরানে ১৩৯ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফ করলেন মোজতবা খামেনি

অতিরিক্ত ‘বাড়ি ভাড়ায়’ চাপা কষ্টে মধ্যবিত্তরা

এস এম রাসেল
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৪ ২:৫৭ পিএম
শেয়ার করুন

রাজধানীর নগরিতে গড়ে উঠা বিশাল বড় বড় অট্টালিকার ফাঁকে ফাঁকে রয়েছে অসংখ্য মানুষের অজানা গল্প। এসব গল্পের মাঝে চাপা একটি কষ্টের নাম হচ্ছে অতিরিক্ত বাড়ি ভাড়া। এই বাড়ি ভাড়া কেউ দিচ্ছেন, আবার কেউ নিচ্ছেন। নানান শর্তের মাঝেও শান্তি খোঁজার চেষ্টা করছেন নিম্নবিত্ত আয়ের ভাড়াটিয়ারা।

সরেজমিন দেখা গেছে, নগরীর অলিগলি সবখানে ঝুলছে বাড়ি ভাড়ার বিজ্ঞপ্তি। কিন্তু এসব বিজ্ঞপ্তির আড়ালে রয়েছে একাধিক শর্ত। তবুও যে থাকতে হলে সামর্থ্য অনুযায়ী নিতেই হবে বাড়ি ভাড়া। তাই তো হন্নে হয়ে ভাড়া বাসা খুঁজছিলেন সজিব আহমেদ নামে এক যুবক। নগরীর মিরপুর শেওড়াপাড়া এলাকায় ভাড়ার জন্য বাসা খোঁজার সময় কথা হয় তার সঙ্গে। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বাড়ি ভাড়ার বিজ্ঞপ্তির আড়ালে থাকা একাধিক শর্তের কথা জানান।

সজিব আহমেদ বলেন, মিরপুরে বাড়ি ভাড়া মাত্রাতিরিক্ত। এর মাঝে রয়েছে একাধিক শর্ত যেমন, মেহমান বেশি আসা যাবে না ! দুই কক্ষের বাসায় পরিবারে পাঁচজনের বেশি থাকা যাবে না! সন্তানের সংখ্যা কজন ? রাতে তারাতারি বাড়িতে আসতে হবে রাত ১১ টায়া তালা ! আরও কতো কি। এতো এতো শর্তের মাঝেও ভাড়া নিতে আগ্রহী হলেও ভাড়া শুনে আঁতকে উঠার মতো।

শর্ত যাই হোক না কেনো এটা মানতে বাধ্য হচ্ছে অনেকেই। কিন্তু লাগামহীন ভাড়ার বোঝা যে কতটা ভারী সেটা কে বুঝে ! “অনেকে এই অতিরিক্ত বাড়ি ভাড়ার বোঝা বইতে না পেরে ঢাকা ছাড়ছেন”!

মিরপুরের ইস্টান হাউজিং এলাকার বাসিন্দা এক স্কুল শিক্ষক জানালেন, গত দুই বছরে দুই বারে তিন হাজার টাকা ভাড়া বাড়িয়েছেন বাড়ির মালিক। কিন্তু উপায়ন্তর না দেখে বাধ্য হয়েই থাকতে হচ্ছে তাকে। তবে বেতনের সঙ্গে বাসা ভাড়া মানিয়ে নিতে হাঁসফাঁস অবস্থায় আছেন। বার বার পরিবার নিয়ে বাসা বদলানো একটি বড় ঝামেল মনে করনে তিনি। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়ে থাকতে হচ্ছে তাকে। একই অবস্থা মিরপুর নগরীর পীরের বাগ এলাকার বাসিন্দা সুফিয়া বেগমের।

তিনি বলেন, গত এগারো বছর থেকে একই বাসায় ভাড়া থাকেন। পরিবারে তার কোনো পুরুষ মানুষ নেই। এতো দিন ভাড়া বাড়লেও তা খুব কম ছিল। কিন্তু করোনাকাল পেরিয়ে মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া বেড়েছে বাসার। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ অসংখ্য অজুহাত দেখিয়ে বাড়িওয়ালা ভাড়া বাড়িয়েছেন। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত আইন থাকলেও এটির প্রয়োগ না থাকায় খেয়ালখুশি মতো ভাড়া আদায় করছেন বাড়িওয়ালারা।

ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোঃ খলিলুর রহমান খন্দকার বলেন, বাড়িভাড়া সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী সিটি করপোরেশন থেকে এটি মনিটরিং করার কথা। কিন্তু কর্তৃপক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় ভাড়াটিয়াদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। অন্যদিকে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বলেন, বাড়িভাড়া সংক্রান্ত নীতিমালা দেখে আমাদের যা করণীয় আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

এই বিভাগের আরো খবর