1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
অনেকে নাকি উন্নয়ন চোখে দেখে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ঈদের ছুটি উত্তরায় মার্কেটে হামলা-লুটপাটের ঘটনায় মামলা, আসামি ৭০০ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব দেশকে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে ইরান সাত বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য, ইউজিসিতে নতুন চেয়ারম্যান হাতিয়ার ইউএনওর অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন বিএনপি জনগণের রায়ে বিশ্বাসী বলেই জনগণের জন্য কাজ করে-প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম র‍্যাব বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ৯ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের চিঠি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম ভর্তি পরীক্ষায় লটারি পদ্ধতি বাতিল: শিক্ষামন্ত্রী

অনেকে নাকি উন্নয়ন চোখে দেখে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১১ নভেম্বর, ২০২২ ২:০০ পিএম
শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘উন্নয়ন নাকি চোখেই দেখে না। এখন চোখ থাকতে যদি কেউ অন্ধ হয়, তাকে তো কিছু দেখানো যায় না। কিন্তু তারা তো ডিজিটাল বাংলাদেশ ব্যবহার করছে, মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। সবই তো আওয়ামী লীগের দেওয়া।’

যুবলীগের ৫০ বছর পূর্তি ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আজ শুক্রবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত মহাসমাবেশে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছি, বাংলাদেশের মানুষ আজ নতুন করে বাঁচার আশা দেখছে।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে, সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতায় এসেছিল। এসেই যুবলীগের নেতা সেই মৌলভী সৈয়দ, আমাদের চট্টগ্রামের নেতা। বগুড়ার খসরু থেকে শুরু করে নারায়ণগগঞ্জের মুনির, ছাত্রলীগের মাহফুজ বাবুসহ… নির্মমভাবে হত্যা করেছে, লাশও পায়নি। জিয়া যেমন শত শত সেনা অফিসার, বিমানবাহিনী অফিসার হত্যা করেছে তাদের পরিবার লাশ পায়নি। ঠিক এদেরও লাশ আত্মীয়-স্বজন পায়নি।’

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘যাদের নেতৃত্বে বিএনপি চলে তারা কে? খালেদা জিয়া… জিয়া ট্রাস্ট, সেই টাকা, একটি টাকাও এতিমদের হাতে যায়নি। সেই অরফানেজের টাকা, যেটা বিদেশ থেকে এসেছিল এদেশের এতিমদের জন্য। সে (খালেদা জিয়া) একটা  চ্যারিটেবল ট্রাস্ট করেছিল এবং জিয়া অরফানেজ ফান্ড করেছিল, ট্রাস্ট করেছিল। এই দুইটার একটা পয়সাও না দিয়ে সমস্ত পয়সা তারা মেরে খায়। আর সেই কারণে খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত। তার ১০ বছর সাজা হয়েছে।সে হলো বিএনপির নেত্রী।’

তিনি বলেন, ‘তার (খালেদা জিয়া) পরিবর্তে যাকে দিয়েছে, সে তো আরও এক ধাপ ওপরে। আমরা দেখি বিএনপির অনেক নেতা মানিলল্ডারিংয়ের কথা বলে, লুটপাটের কথা বলে, দুর্নীতির কথা বলে। এখানে আমি আমাদের যুবলীগের নেতাকর্মীদের জানাতে চাই, আজকে তারেক জিয়া, তার শাস্তি হয়েছে মানি লন্ডারিং কেসে এবং তার কেসে আমেরিকা থেকে এফবিআই-এর লোক এসে বাংলাদেশে সাক্ষী দিয়ে গেছে।তারেক জিয়ার শাস্তি হয়েছে ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায়। মানিলন্ডারিংয়ের কেসে সাত বছর সাজা, ২০ কোটি টাকা জরিমনা।আর গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত। ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরা কারবারি, তার জন্য সে সাজাপ্রাপ্ত।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যাদের নেতাই হচ্ছে খুন, মানিলন্ডারিং, অবৈধ অস্ত্র চোরা কারবারি মামলার আসামি। তাদের মুখে আওয়ামী লীগের সমালোচনা শোভা পায় না।এটা হলো বাস্তবতা।’

বক্তব্যের শুরুতে যুবলীগের প্রতিষ্ঠার কথা স্মরণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আজকের যুবলীগের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অর্থাৎ সুবর্ণজয়ন্তী। সকল যুবলীগ নেতাকে আমি অভিনন্দন জানাই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে ১১ নভেম্বর যুবলীগ প্রতিষ্ঠিত করেন। জাতির পিতার নির্দেশে যে যুবলীগকে পরিচালনা করেছিলেন সেই শেখ মণিকে ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমি আজ যে মাঠে ভাষণ দিচ্ছি সেই ঐতিহাসিক মাঠে ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন জাতি পিতা। সেই ভাষণ বিএনপি নিষিদ্ধ করেছিল। এখন জাতির পিতার সেই ভাষণ ঐতিহাসিক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।’

আজ দুপুর পৌনে ৩টার দিকে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সমাবেশের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে ছিলেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামশ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যে দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে পেইন্টিং উপহার দেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা। এরপর যুবলীগের উত্তরীয় পরিয়ে দেন যুবলীগের মহিলা নেত্রীরা। পরে সুবর্ণজয়ন্তী লোগো উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর যুবলীগের ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়।

এদিকে, কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে সমাবেশস্থল ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসেন নেতাকর্মীরা। এ ছাড়া ঢাকার বাইরের জেলা-উপজেলা থেকে বিভিন্ন যানবাহনে সমাবেশে এসেছেন নেতাকর্মীরা। তাদের বেশিরভাগেরই পরনে সবুজ রঙের পোশাক ও মাথায় ক্যাপ।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *