1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
কুমিল্লায় দলিল থাকার পরও জমিতে ঢুকতে পারছেন না ক্রেতারা - আজকের কাগজ
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সৌরবিদ্যুৎ ও সরকারি ক্রয় অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের অনুমোদন মন্ত্রিসভার মেসির দেওয়া বিশেষ এক ভোটে আপ্লুত আলজেরিয়ান তরুণ ইব্রাহিম মাজা সংসদ সদস্য সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২২৩ টাকা ট্রাইব্যুনাল সালিসের চেয়ে নিচে নেমে গেছে: প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার কুমিল্লায় দলিল থাকার পরও জমিতে ঢুকতে পারছেন না ক্রেতারা আন্দোলনের নামে সহিংসতায় ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রমিক আন্দোলনে পলাতক অপশক্তির অস্থিরতা সৃষ্টির প্রমাণ মিলেছে: মাহদী দশমিনায় অগ্নিকাণ্ডে তিন ভাইয়ের ঘর পুড়ে ছাই ফ্লাইদুবাইয়ের আকাশে শ্বাসরুদ্ধকর ৩০ সেকেন্ড: যেভাবে রক্ষা পেলেন ১৭৪ যাত্রী

কুমিল্লায় দলিল থাকার পরও জমিতে ঢুকতে পারছেন না ক্রেতারা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ ৬:০৫ পিএম
শেয়ার করুন

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আগানগর গ্রামে ক্রয় করা জমি নিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ডালিম, খোরশেদসহ বেশ কয়েকজন ক্রেতা। আইন মেনে জমির সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মালিকানা যাচাই-বাছাই করে কেনা সত্ত্বেও তাঁরা নিজেদের জমিতে প্রবেশ করতে পারছেন না। জমির দখল নিয়ে একই এলাকার অহিদুর রহমান ও মনিরুল ইসলামসহ তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বাধার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, আগানগর মৌজার ৩১৭ নম্বর দাগের ১২ শতাংশ জমি তাহেরা বেগম তাঁর ছেলে আকবর হোসেনের কাছে সাফ-কবলা দলিলমূলে হস্তান্তর করেছিলেন। পরবর্তীতে সেই জমি আকবর হোসেনের কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা ক্রয় করেন। স্থানীয় এই জমি নিয়ে অহিদুর রহমান ও মনিরুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে তাহেরা বেগমের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, জমি কেনার পর থেকেই অপর পক্ষ বিভিন্ন অজুহাতে তাঁদের বাধা দিয়ে আসছে এবং একাধিকবার সালিশি বৈঠকের উদ্যোগ নিলেও কোনো লাভ হয়নি।

গত শনিবার রাতে ক্রয়কৃত জমিতে বালু ফেলার পর রোববার সকাল ১০টার দিকে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের প্রস্তুতি হিসেবে ইট ও সিমেন্ট নিয়ে সেখানে যান ক্রেতারা। এ সময় অহিদুর রহমান, মনিরুল ইসলাম এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা দলবদ্ধভাবে এসে কাজে বাধা দেন। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে এক পর্যায়ে মারমুখী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগীরা জানান, তাঁদের পরিবারের নারী সদস্যদের উপস্থিতির কথা বিবেচনা করে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষ বা ঝামেলায় না জড়িয়ে তাঁরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

ব্যবসায়ী ডালিম জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য থানা-পুলিশের পক্ষ থেকেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ অনেকবার যোগাযোগ করলেও বিবাদী পক্ষ সাড়া দেয়নি। তিনি আরও বলেন, জমির বৈধ দলিল আমাদের কাছে আছে। আইন অনুযায়ী সবকিছু যাচাই করেই আমরা জমিটি কিনেছি। আমি তাঁদের বারবার অনুরোধ করেছি, যদি আপনাদের কাছে কোনো দলিলপত্র থাকে তবে থানায় নিয়ে আসুন। আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না, বরং কাগজপত্র যাচাই করে সঠিক সমাধান চাই। মালিকানা প্রমাণ হলে আমরা জমি বুঝিয়ে দিয়ে চলে যাব। এমনকি থানা-পুলিশের উদ্যোগেও দুই পক্ষকে নিয়ে বসে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা আসেননি।

অভিযুক্ত অহিদুর রহমানের দাবি ভিন্ন। তিনি জানান, ছয় ভাই এবং তাহেরা বেগমের মধ্যে ২৭ বছর ধরে ওই জমি নিয়ে বণ্টন মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, জমিটি নিয়ে বিরোধ চলছে জেনেও ক্রেতারা অধিক লাভের আশায় কম দামে সেটি কিনেছেন। মামলা চলমান থাকায় তাঁরা নতুন মালিকদের দখল নিতে বাধা দিচ্ছেন বলে জানান তিনি। বর্তমানে এই বিরোধের কারণে ক্রয় করা জমির ওপর সীমানাপ্রাচীর নির্মাণসহ স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে পারছেন না নতুন মালিকরা। প্রায় ২৭ বছর ধরে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন।

এই বিভাগের আরো খবর