1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কুমিল্লা বৃষ্টি আর শ্রমিক সংকটে ধান কাটা নিয়ে বিপাকে কৃষকেরা - আজকের কাগজ
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাতের আঁধারে ক্ষুধার্ত ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ালেন সানজিদা ইসলাম তুলি এমপি আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল আমার পেছনে কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে ব্রাজিল বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম কালিয়াকৈরে মাদক বিরোধী অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার দুই যুবক রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা ভাইরাল ভিডিও কাণ্ডে কুড়িগ্রামে পদ গেল প্যানেল চেয়ারম্যানের ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না গাড়ি থামিয়ে গুলি করে ৭ মাসের শিশুকে হত্যা, বিচার দাবি পরিবারের ইরানে ১৩৯ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফ করলেন মোজতবা খামেনি

কুমিল্লা বৃষ্টি আর শ্রমিক সংকটে ধান কাটা নিয়ে বিপাকে কৃষকেরা

মাহবুবুর রহমান মিয়াজী, কুমিল্লা
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬ ৭:৫৬ পিএম
শেয়ার করুন

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলাশ চলতি বোরো মৌসুমে পাকা ধান কাটতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়েছে কৃষকরা। টানা বৈরী আবহাওয়া, মাঝেমধ্যে ঝড়-বৃষ্টি ও কৃষি
শ্রমিক সংকটে অনেক কৃষক সময়মতো ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে মাঠে কাটা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে উৎপাদন ব্যয়
তুলতে না পারার শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা যোবায়ে হোসেন জানান, এ বছর উপজেলার একটি পৌরসভা ও তেরোটি ইউনিয়নে মোট ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। অধিকাংশ জমির ধান ইতোমধ্যে পেকে গেলেও গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিপাত কৃষকদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঝড়ো হাওয়ায় অনেক ক্ষেতের পাকা ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। নিচু জমিতে কেটে রাখা ধান পানিতে তলিয়ে আছে।
অনেক কৃষক ধান কেটে মাঠেই গাদা করে রাখছে। ফুলের নাউড়ি গ্রামের কৃষক ইউছুফ ভুইয়্যা বলেন,মৌসুমের শুরুতে অনেক কৃষক ধান কেটে রেখেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হওয়ায় সেই ধান বাড়িতে তুলতে পারছেনা। দিনে আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকেই আকাশ
মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে ধান কাটতে ভয় পাচ্ছি।
ছাতিয়ানী গ্রামের কৃষক আবদুল মমিন বলেন,মাঠের অধিকাংশ ধান কাটার উপযোগী হয়ে গেছে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কাটতে পারছি না। বেশি পেকে গেলে ধান ঝরে পড়ে,এতে ফলন কমে যায়। প্রতিদিন বৃষ্টির আশঙ্কায় কৃষকদের উৎকণ্ঠার মধ্যে
থাকতে হচ্ছে। কাজের জন্য ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা প্রতিদিন হাজিরা দিয়েও কৃষি শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। বাসন্ডা
গ্রামের কৃষক মনির বলেন , বৈরী আবহাওয়ার কারণে শ্রমিক সংকটও বেড়েছে। অনেক কৃষক কষ্ট করে নুয়ে পড়া ধান কেটে-মাড়াই করলেও বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছে না। তিনি বলেন,বৃষ্টিতে ভিজে ধানের রং নষ্ট হওয়ার অজুহাতে ব্যবসায়ীরা কম দামে ধান কিনতে চাইছে। তিনি আরও বলেন,
উপজেলা জুড়ে এখন বোরো ধান কাটার মৌসুম চলছে। তবে অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে কৃষকেরা সমস্যায় পড়েছে। সাধারণত ৮০ শতাংশ ধান পাকলেই কাটার পরামর্শ দেয়া হয়। কৃষকদের নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন,দ্রুত আবহাওয়া অনুকূলে না ফিরলে কৃষকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। বিশেষ করে নিচু জমির ধান দীর্ঘসময় পানিতে থাকলে ফলন ও মান দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা
রয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর