1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
জবিতে ছাত্রদলের হামলায় আহত প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক কামরুজ্জামান কায়েস - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
হাসিনাকে ফেরানোর অভিযোগে কুবির ১১ শিক্ষকের সম্পৃক্ততা, তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি বর্ষা বিপ্লবের কনসার্টে হট্টগোল ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, লড়াই অব্যাহত থাকবে জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে তথ্যচিত্র নিয়ে বিতর্ক-হট্টগোল, বেরিয়ে গেলেন এনসিপি নেতারা প্রেমের টানে কেরানীগঞ্জে চীনা যুবক, ধর্ম বদলে করলেন বিয়ে জুলাইয়ের কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য সবাই প্রতিযোগিতায় নেমেছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পলাতক ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে জাতীয় ঐক্য দৃঢ় করতে হবে: মাহদী আমিন সাতভিটার সেই ঘরে আজও ফেরেনি আশিক জুলাই সনদের দাবিতে হিলিতে সমাবেশ-গনমিছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান সাম্য, ঐক্য ও নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয়: ইউএফটিবি উপাচার্য

জবিতে ছাত্রদলের হামলায় আহত প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক কামরুজ্জামান কায়েস

জবি প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬ ৯:৩৩ পিএম
শেয়ার করুন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের (২০২৬–২৭) নির্বাচিত অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক আজকালের খবরের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি কামরুজ্জামান কায়েস। জবি শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলা, হুমকি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ এনে তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

কায়েস বলেন, “আমার দোষ ছিল সংবাদ সংগ্রহ করা। কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে নয়, একজন সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই হামলার শিকার হয়েছি।” তিনি জানান, গলায় প্রেসকার্ড থাকা সত্ত্বেও তাকে মারধর করা হয়। এর আগে ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ছাত্রলীগের হামলায় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন এবং সেই আঘাতের চিকিৎসা এখনও চলমান বলে উল্লেখ করেন।

পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সর্দার সংবাদ সংগ্রহের সময় তাকে ডেকে নিয়ে যান। পরে মাহমুদ, রবিন মিয়া শাওন, শিহাব, মুশফিকুর রাইনসহ আরও ২০–২৫ জন তাকে মারধর করেন। এতে তার মাথা, চোখ ও নাকে গুরুতর আঘাত লাগে, চশমা ভেঙে যায় এবং তার মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাংক ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল তাকে সংবাদ প্রকাশ না করার হুমকি দেন।

তার ভাষ্য, ওই সময় মোবাইলের ক্যামেরা চালু থাকায় পুরো ঘটনাটি ভিডিওতে ধারণ হয়েছে।
কায়েস আরও দাবি করেন, হামলার স্থান রফিক ভবন ও উপাচার্য ভবনের মধ্যবর্তী এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। পাশাপাশি তার নিজের মোবাইলে ধারণ করা প্রায় ৪০ মিনিটের ভিডিও ফুটেজেও ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ সংরক্ষিত আছে।

হামলার পর সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহায়তায় তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার এবং পরে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবারও হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসকরা মাথায় আঘাতের কারণে সিটি স্ক্যান করিয়ে দ্রুত নিউরোসার্জনের পরামর্শ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

পোস্টে কায়েস বলেন, ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, প্রক্টর, পরিবহন প্রশাসক ও শিক্ষক সমিতির নেতারা হাসপাতালে গিয়ে তার খোঁজ নেন। প্রশাসনের সহায়তায় তার মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হলেও পাওয়ার ব্যাংকটি এখনও উদ্ধার হয়নি।

ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক কামরুজ্জামান কায়েস বলেন, তিনি শুধু নিজের ওপর নয়, ওই দিনের ঘটনায় আহত সব শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকের ওপর হামলারও সুষ্ঠু বিচার চান। তিনি বলেন, “আমি সব ঘটনার বিচার চাই। সাংবাদিকদের ওপর হওয়া প্রতিটি হামলার বিচার চাই। প্রয়োজন হলে বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখে আমার কাছে থাকা সব ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করব।”

এই বিভাগের আরো খবর